বাস্তুশাস্ত্রে কিছু নিয়ম আছে৷ সেই নিয়মগুলোকে মেনে চললে জীবনে কোন সমস্যা থাকে না৷ কিন্তু যদি ঐ নিয়মের লঙ্খন করা হয় তাহলে জীবনে সমস্যা ছেয়ে যায়৷ সমস্যা থেকে বাঁচতে বাস্তুর নিয়ম মেনে চলুন৷ *শয়ন কক্ষে কখনও এঠো বাসন রাখবেন না৷ এতে ঘরের মহিলাদের স্বাস্থ্য প্রভাবিত হবে৷বাড়িতেও ঝগড়ার সৃষ্টি হবে৷*শয়ন কক্ষে জল অথবা কোন ভারী বস্তু রাখবেন না৷ *শোবার ঘর অপরিস্কার রাখবেন না৷ শোবার ঘর অপরিস্কার থাকলে আপনার উন্নতিতে বাধা আসবে৷ *সিড়ির নীচে বসে কোন কাজ করবেন না৷ *কোন দরজার সামনের পথ আটকে দাড়াবেন না৷ *প্রবেশ দরজার সামনের দিকে পা দিয়ে কখনও শোবেন না৷ এতে মা লক্ষ্ণীকে অপমান করা হয়৷ *কোর্ট কেসের ফাইল সব সময় মন্দিরের মধ্যে রাখুন৷ এতে আপনার মামলা জেতার পথ সহজ হবে৷ *মৃত ব্যক্তিদের ছবি সব সময় বাড়ির দক্ষিন দিকে লাগান৷ * ঘরের ঘড়ির গতির উপর আপনার ভাগ্য নির্ভর করছে৷যদি ঘড়ির গতি কমে যায় তাহলে আপনার ভাগ্যের গতিও কমে যাবে৷ তাই ঘড়ির ব্যাটারীর প্রতি নজর রাখুন৷ *খাট কখনও দেওয়ালের সঙ্গে লাগিয়ে রাখবেন না৷এতে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে ঝগড়ার সৃষ্টি হবে৷ *যদি আপনার বাড়ি তিন রাস্তার মধ্যে অবস্থিত হয় তাতে আপনার বাড়ির ক্ষতি হতে পারে৷ সেই কারণে ঘরের দোষ কাটানোর জন্য ঘরের চারিদিকে আয়না রাখুন৷ *যদি বাড়ির কোন সদস্য দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ থাকেন তাহলে তাঁকে দক্ষিন পশ্চিম কোন করে শোওয়ান৷ তাছাড়া ইশান কোনে ঠান্ডা জল রাখুন৷ এতে ঐ ব্যক্তিটি খুব তাড়াতাড়ি সুস্থ হয়ে যাবেন৷ * ঘরের মুখ্য দরজাতে কালো ঘোড়ার নাল, দুর্গা যন্ত্র, ত্রিশক্তি, ভেতর এবং বাইরের দিকে ভগবান গণেশের মূর্তি, অথবা ঘরের দক্ষিনমুখী দরজাতে ভগবান হনুমানের ছবি বা ভৈরব যন্ত্র লাগান৷ এতে বাড়িতে কোন অশুভ শক্তি প্রবেশ করতে পারবে না৷ *ওষুধ সব সময় ইশান কোনে রাখুন৷ এতে রোগী তাড়াতাড়ি আরোগ্য লাভ করবেন৷ * যদি কারো বাড়ি এস মোড়ে অবস্থিত হয় সেটা আপনার জন্য শুভফল নিয়ে আসবে৷ |
|