ছবি: সুপারস্টার নির্মাতা: শ্রী অষ্টবিনায়ক সিনে ভিশন লিমিটেড নির্দেশক: রোহিত যুগরাজ সঙ্গীত নির্দেশক: শমীর টেন্ডন অভিনয়ে: কুণাল কেমু, টিউলিপ জোশী, ওশিমা সাহানি, রীমা, শরত সাক্সেনা, দর্শন জরীবালা, অমন বর্মা৷
বলিউডকে কেন্দ্র করে ছবি তৈরী করার একটা দৌড় চলছে৷ আর এই দৌড়ে যে সব ছবি সামিল হয়েছে সেগুলো হল ওম শান্তি ওম, খোয়া খোয়া চান্দ, শোবিজ, হল্লা বোল৷ এই শ্রেনীতে আর একটি ছবি সংযোজিত হবে৷ এই ছবিটি হল সুপারস্টার৷ অ্যাকশন আর ড্রামার সঙ্গে এই ছবিতে চিত্রজগতের সেই সত্যটাকেও তুলে ধরা হয়েছে যা সেলুলয়েডের সব আড়ম্বরের পিছনে লুকিয়ে থাকে৷ এই ছবিতে কুণাল কেমু দ্বৈত চরিত্রে অভিনয় করেছেন৷ সুপারস্টার ছবিতে কুণালের নাম কুণালই রাখা হয়েছে৷
ছবিতে কুণাল হল এক যুবক৷ যার চোখে বলিউডের সুপারস্টার হবার স্বপ্ন৷ আর এই স্বপ্নকে বাস্তবে রুপায়্ন কি করে করতে হবে সেই পদ্ধতি কুণালের ভাল মতই জানা আছে৷ কুণালকে মৌসম খুব ভালবাসে৷ স্বপ্ন সত্যি করতে কুণাল প্রচুর পরিশ্রম করে৷ ইন্ড্রাস্ট্রীতে একজন ছোট মানের অভিনেতা রুপেই কুণালকে সবাই চেনে৷কিন্তু কুণাল এই পরিচয়কে সুপারস্টারে পরিনত করার প্রয়াস চালায়৷ কিন্তু কুণালের এই প্রয়াস বাধা পায়, কারণ ইন্ড্রাস্ট্রীতে কুণালের সদৃশ্য চেহারার আর একজন নায়কের আবির্ভাব হয়৷ করণ(কুণাল কেমু )নামের এই নায়কের আগমনে কুণালের কেরিয়ারের গতি থেমে যায়৷ তখন প্রতিযোগীতার দৌড়ে নিজের অস্তিত্ব তৈরী করার জন্য কুণাল ডুপ্লিকেট হিসাবে কাজ করতে শুরু করেন৷
কুণাল এবং করণ এই দুজনের মধ্যে তীব্র প্রতিযোগীতা শুরু হয়৷ হঠাত কুণালের ভাগ্য পরিবর্তিত হয় আর তাঁর স্বপ্নপূরণ হয়ে যায়৷ অর্থাত সে সুপারস্টারের খেতাব অর্জন করে৷ চারিদিকে কুণালের আলোচনা চলতে থাকে৷ আর এই সুপারস্টার হবার নেশায় কুণাল তাঁর প্রেমিকাকে হারিয়ে ফেলেন৷ মৌসম কুণালের থেকে অনেক দূরে চলে যায়৷ মৌসম সাংবাদিকের পেশা গ্রহন করে৷ পরে কুণাল উপলব্ধি করে মৌসম তাঁর সাংবাদিক বন্ধু প্রশান্তের সঙ্গে মিলে তাঁর সুপার স্টার হওয়ার পিছনে যে আসল সত্যটা লুকিয়ে আছে, সেই সত্যটাকে সে প্রকাশ করতে চায়৷ কুণাল কি আসল সত্যটাকে প্রকাশ করবে? আর সেই আসল সত্যটা কি? কি করে কুণাল সুপারস্টার হয়? জানার জন্য দেখুন সুপারস্টার৷
|