নির্মাতা: আশুতোষ গোয়াড়িকর - রানী স্ক্রুবালা নির্দেশক: আশুতোষ গোয়াড়িকর সঙ্গীত পরিচালক: এ আর রহমান অভিনয়ে: হৃত্বিক রোশান, ঐশ্বর্য রাই, কুলভূষন খারবান্দা, ইলা অরুন, সোনু সুদ৷
ষোলশ শতাব্দীর প্রেম কাহিনীকে নিয়ে আশুতোষ যোধা আকবর ছবিটি তৈরী করেছেন৷ এতে মুঘ্ল সম্রাট আকবর (হৃত্বিক) আর রাজপুত রাজকুমারী যোধার ( ঐশ্বর্য) প্রেম কাহিনীকে তুলে ধরা হয়েছে৷ আকবর একজন উচ্চাকাঙ্ক্ষী রাজা ছিলেন৷ রাজ্য বিস্তারে তিনি ছিলেন আগ্রহী৷ রাজপুতদের শক্তি সম্পর্কে তিনি অবহিত ছিলেন৷ রাজা ভারমলের মেয়ে যোধাকে বিয়ে করার প্রস্তাব যখন তার কাছে দেওয়া হয় তখন তিনি ঐ প্রস্তাব সাদরে গ্রহন করেন৷ তবে এই বিয়েটা ছিল একটা সন্ধিমূলক বিয়ে৷ এর পিছনে গভীর রাজনৈতিক চাল ছিল৷
রাজপুতদের সঙ্গে মুঘ্লদের সম্পর্কের উন্নতি করার জন্যই এই বিবাহ সম্পন্ন হয়েছিল৷ তা ছাড়া এই বিয়ের মধ্যে দিয়ে দুটি ভিন্ন ধর্ম ও সংস্কৃতির মিলন হয়েছিল এই বিয়ের মধ্যে দিয়ে৷ তবে বিয়ের পর যোধা মোঘল ও রাজপুতদের মধ্যে মোহরা হতে অসম্মত হয়৷ আকবর কি তাঁর স্ত্রীর মন কি করে জয় করেন? যোধা আকবর ছবিতে এই বিষয়টিকেই প্রধান গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে৷
হৃত্বিকের জন্য গুরুত্বপূর্ন " যোধা আকবর " হৃত্বিক রোশান: সুপারহিরোর ইমেজধারী হৃত্বিককে যখন যোধা আকবর ছবিতে আকবরের চরিত্রটির জন্য নির্বাচন করা হয়েছিল তখন কিছু সংখ্যক মানুষ বলেছিলেন হৃত্বিককে আকবরের চরিত্রটিতে মানাবে না৷ আকবর চরিত্রটি হৃত্বিকের ইমেজের একেবারেই বিপরীত৷ তাই হৃত্বিকের কাছে আকবর চরিত্রটিতে সঠিক ভাবে অভিনয় চ্যালেঞ্জ হিসাবে দাড়িয়ে গেছিল৷ যোধা আকবরের সফলতা এবং অসফলতা দুটোই হৃত্বিকের কেরিয়ারে গভীর প্রভাব ফেলবে৷
আশুতোষ গোয়াড়িকার : পরিচালক আশুতোষ গোয়াড়িকারের জন্য এই ছবিটি খুবই গুরুত্বপূর্ন৷ লগান সফল হওযার পর আশুতোষের স্বদেশ ছবিটি বক্স অফিসে চলে নি৷ লগানের সফলতার পিছনে সুপারস্টার আমীর খানেরও বড় অবদান ছিল৷ আর স্বদেশের অসফলতা এই ধারনাকে আরও দৃঢ করেছিল৷ তবে আশুতোষ যোধা আকবরের মধ্যে দিয়েই এই ভ্রমটাকে ভাঙতে চান৷
|