নির্মাতা নির্দেশক: সুভাষ ঘাই সঙ্গীত পরিচালক: সুখবিন্দর সিং গীতিকার: ইব্রাহিম অস্ক অভিনয়ে: অনিল কাপুর, অনুরাগ সিনহা, শেফালী ছায়া, অদিতি শর্মা, আকাশ খুরানা৷
নির্দেশক সুভাষ ঘাই এর সময়টা একদম ভাল যাচ্ছে না৷ গত কয়েক মাস ধরে সুভাষ ঘাই এর যে কটি ছবিই মুক্তি পেয়েছে সব কটিই বক্স অফিসে সফলতা অর্জন করতে পারে নি৷ ব্ল্যাক এন্ড হোয়াইট ছবিতে সুভাষ ঘাই উগ্রপন্থার বিষয়টির দিকে দৃষ্টিপাত ধরেছেন৷ কি করে কিছু কট্টরপন্থী মানুষ মুসলিম যুবকদের উগ্রপন্থার পথে ঠেলে দেয় এই বিষয়টিকে এই ছবিতে তুলে ধরা হয়েছে৷
নুমের কাজী হলেন গল্পের প্রধান চরিত্র৷ নুমেরের সঙ্গে রাজেন মাথুর অর্থাত অনিল কাপুরের সাক্ষাত হয়৷ রাজেন হলেন ডাঃ জাকির হুসেন কলেজের উর্দু সাহিত্যের অধ্যাপক৷ তিনি তাঁর স্ত্রী রোমা মাথুরা অর্থাত শেফালি ছায়ার সঙ্গে দিল্লীর চাঁদনী চকে থাকেন৷ নুমের গুজরাটে দাঙ্গার শিকার হয়৷ অধ্যাপক মাথুর নুমেরকে সহায়তা করে৷ তিনি 15 দিনের জন্য নুমেরকে তাঁর বাড়িতে আশ্রয় দেন৷
নুমের দিল্লীতে আসে 15 ই আগস্ট স্বাধীনতা দিবসের দিন মানব বোমা বিস্ফোরণের পরিকল্পনা নিয়ে৷ কিন্তু অধ্যাপক মাথুর নুমেরের এই পরিকল্পনা সম্পর্কে কিছুই জানত না৷ 15 ই আগস্টের অনুষ্ঠানে প্রবেশের অনুমতি পত্র নুমেরকে অধ্যাপক মাথুর যোগাড় করে দেন৷ চাঁদনী চকে অধ্যাপক মাথুরের বাড়িতে থাকার সময় অনেক মানুষের সঙ্গেই নুমেরের সাক্ষাত হয়৷
সগুপ্তা, রাহত, সুফি আর মিয়ার সঙ্গে নুমেরের খুব বন্ধুত্ব হয়ে যায়৷ সগুপ্তা হল এক আধুনিক মুসলিম তরুনী৷ মিয়ার বয়স হল 84 বছর৷ আর সে দেশকে খুব ভালবাসে৷ রাহত সুফি গান করে৷ জঙ্গি নাশকতার সঙ্গে জড়িত থাকা নুমের অধ্যাপক মাথুরের বাড়িতে এসে আবেগপ্রবন হয়ে পড়ে৷ ওর মনে হয় ও যেন ওর লক্ষ্যভ্রষ্ট হচ্ছে৷ ক্লিন্তু তারপরে সে তাঁর মন থেকে সব আবেগ সরিয়ে দিয়ে লক্ষ্যপূরনের নেশায় একাগ্র হয়ে পড়ে৷
নুমেরের উদ্দেশ্য কি পূরন হবে? নুমের কি অধ্যাপক মাথুরের সঙ্গে বিশ্বাস ঘাতকতা করবে? নুমের কি বুঝতে পারবে যে ও ভুল রাস্তায় চলছে৷ এই সব প্রশ্নের উত্তর জানার জন্য দেখুন ব্ল্যাক এন্ড হোয়াইট৷
|