ছবি: জিমী নির্মাতা: নবমান মালিক-সলমান মালিক নির্দেশক: রাজ.এন.সিপ্পী সঙ্গীত পরিচালক: আনন্দ রাজ্ আনন্দ অভিনয়ে: মিমোহ চক্রবর্তী, বিবানা, রাহুল দেব, জুলফী সঈদ, বল্লভ ব্যাস, বিকাস কলন্ত্রী, শক্তি কাপুর৷
জিমী ছবিটির মধ্যে দিয়ে মিঠুনের ছেলে মিমোহ তাঁর কেরিয়ার শুরু করবেন৷ 18 ই এপ্রিল এই ছবিটি মুক্তি পাবে৷ মিঠুনের গভীর বিশ্বাস যে তাঁর ফ্যানরা মিমোহর ছবি অবশ্যই দেখবেন৷ ছবির গল্পটি এইরকম জিমী অর্থাত মিমোহ তাঁর পরিবারকে দেখার জন্য দিনরাত পরিশ্রম করেন৷ দিনের বেলায় একটা গাড়ির কারখানায় ইঞ্জিনিয়ারের কাজ করে৷ অপরদিকে রাতে সে একটা ক্লাবে ডিজের ভূমিকা পালন করে৷ কিন্তু হঠাত এমন একটা ঘটনা ঘটে যা জীমির জীবনে পরিবর্তন নিয়ে আসে৷ জিমীর চিন্তাধারা সম্পূর্ন রুপে বদলে যায়৷ জিমী নতুন রাস্তাতে চলতে শুরু করে৷ কিন্তু জীমির এই নতুন যাত্রা একেবারেই সহজ নয়৷ যেখানে উন্নতির সঙ্গে জীবনের ঝুঁকিও রয়েছে প্রচুর৷
জিমীর চিন্তাধারা কেন বদলালো? জিমী কি এইরকম হতে চাইতো? জিমী সফল হতে পারবে? এই প্রশ্নের উত্তর জানতে জিমী ছবিটি দেখুন৷
মিমোহ কি ভাবে এই ছবিতে সুযোগ পেলেন?
হাই ডেফিনিশান মোশান পিকচার্সের ব্যানারে জিমী ছবিটি নির্মিত হয়েছে৷ এই ছবির নির্মাতা হলেন নবমান মালিক আর সলমান মালিক৷ মিমোহকে তাদের ছবিতে কেন নিয়েছেন? এই প্রশ্নের উত্তর দিতে গিয়ে নবমান জানান, আমি শুনেছিলাম মিঠুন তাঁর ছেলেকে সিনেমায় নামাচ্ছেন৷ আমাদের ছবির কাহিনীতে একজন তরুনের প্রয়োজন ছিল৷ এই বিষয়টি নিয়ে আমরা মিঠুনের সঙ্গে সাক্ষাত করি আমার মিঠুনকে ছবির গল্পটা শোনাই৷ মিঠুনের কাহিনী শুনে ভাল লাগে৷ তারপরই মিমোহকে এই ছবির নায়ক হিসাবে নির্বাচন করা হয়৷
নায়িকার জন্য আমরা অনুপম খেরের অ্যাকটিং স্কুলে যোগাযোগ করি৷ বিবানা অনুপমের স্কুলে অভিনয়ের প্রশিক্ষন নিচ্ছিলেন৷ বিবানাকে দেখে জিমী ছবির নায়িকার চরিত্রটির জন্য উপযুক্ত বলে মনে হয়৷ বিবানা একজন নামকরা মডেল৷ তিনি অক্ষয় কুমার এবং ক্যাটারিনার সঙ্গেও মডেলিং করেছেন৷
ছবির নাম জিমী কেন রাখা হয়েছে?
নির্মাতা নবমান মালিক বলেন এর পিছনে এক মজার কাহিনী আছে৷ মিঠুনের ইচ্ছাতেই এই ছবির নাম জিমী রাখা হয়েছে৷ কারন ডিস্কো ডান্সার ছবিতে মিঠুনের নাম জিমী ছিল৷ এই ছবির জিমী.. জিমী.. জিমী.. আজা.. আজা.. আজা গানটিও ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করেছিল৷ এই নামটা মিঠুনের খুব পছন্দ৷ সেইজন্য তিনি তাঁর ছেলের ছবির নাম জিমী রাখতে বলেছেন৷ তবে এই নামটা প্রথমে সোহেল খান রেজিস্টার্ড করে রেখেছিলেন৷ কিন্তু মিঠুন যখন এই নামটাকে টাইটেল হিসাবে রাখবার জন্য অনুরোধ করেন তখন সোহেল আনন্দের সঙ্গেই মিঠুনকে এই নাম রাখার অনুমতি দিয়ে দেন৷
|