মুখ্য পৃষ্ঠা > মনোরঞ্জন > বলিউড > সিনেমা প্রাক্‌দর্শন > এক বিবাহ অ্যায়সা ভী
পরামর্শ বা প্রতিক্রিয়ামিত্রকে পাঠানএই পৃষ্ঠা প্রিন্ট করুন
 
এক বিবাহ অ্যায়সা ভী

ব্যানার : রাজশ্রী প্রোডাকশন
নির্মাতা : কমল কুমার বড়জাতিয়া, তারাচন্দ বড়জাতিয়া, রাজকুমার বড়জাতিয়া, অজীত কুমার বড়জাতিয়া৷
নির্দেশক : কৌশিক ঘটক
গীত-সঙ্গীত : রবীন্দ্র জৈন
অভিনয়ে : সোনু সূদ, ঈশা কোপিকর, অলোক নাথ, স্মিতা জয়কর, অনংগ দেসাই, বিশাল মলহোত্রা, ছবি মিত্তল, শ্রী বল্লভ ব্যায়াস৷

রাজশ্রী প্রোডাকশন সুন্দর সাচ্ছন্দ পরিবারের সঙ্গে দেখার মতো ফিল্ম নির্মান করে৷ এই ব্যানারের নবীনতম ফিল্ম 'এক বিবাহ অ্যায়সা ভী' নভেম্বর মাসে প্রদর্শিত হতে চলেছে৷ বলা হচ্ছে যে এই ফিল্ম এমনই একটি ব্যানারের পূর্ববর্তী ফিল্ম 'বিবাহ'র সিক্যুয়ল, কিন্তু একথা যে কতটা সত্য তার কোনও প্রমাণ নেই৷

গল্প হল এমনটি৷ চাঁদনী (ঈশা কোপিকর) ভোপালের বাসিন্দা৷ মধ্যবিত্ত পরিবারের মেয়ে৷ নৈতিক মুল্য আর সংস্কারে বিশ্বাসী এই চাঁদনীর পরিবারে বাবা ও দুজন ছোটো ভাই-বোন অনুজ ও সন্ধ্যা রয়েছে৷ চাঁদনী তার ভাই-বোনকে ভীষণ স্নেহ করে৷

IFMIFM
চাঁদনী শাস্ত্রীয় সঙ্গীতের প্রশিক্ষণ নিয়েছে আর স্টেজে পারফর্ম করে৷ এমনই একটি পারফর্মেন্সের সময়ে চাঁদনীর সঙ্গে প্রেম(সোনু সুদ) এর সঙ্গে সাক্ষাত হয়৷ আর তার পরেই তাদের দুজনের মধ্যে প্রেম হয়ে যায়৷

প্রেমের পরিবার যথেষ্ট ধনবান আর সঙ্গীতের শুধু শৌখিন৷ চাঁদনী খুব ভালো গান গায়, আর প্রেম ঠিক তার বিপরীত ততটাই বেসুরো গান গায়৷ চাঁদনী আর প্রেমের সম্পর্কের মধ্যে খুব আনন্দ ছিল৷ তারা দুজন খুব খুশী ছিল৷

চাঁদনী আর প্রেমের এঙ্গেজমেন্ট তো হয়ে গিয়েছিল, কিন্তু সেই দিনই চাঁদনীর বাবার মৃত্যু হয়ে যায়৷ তার পরে তাদের মাথার উপরে আর কোনও বড় কেউ নেই৷ তখন চাঁদনী আর কুল কিনারা খুঁজে পায় না৷ ছোটো ভাই-বোন৷ হঠাতই চাঁদনী পরিবারের বড় সদস্য হয়ে গেল৷ সম্পূর্ণ দায়িত্ব তার উপরে এসে গেল৷

একদিকে তার হাতের সাজানো মেহেন্দি ইশারা করছে যে প্রেমের সঙ্গে বিবাহ করে সুখের স্বপ্নের সংসার করুক৷ কিন্তু অন্যদিকে চাঁদনীর ছোটো ভাই-বোন রয়েছে, তাদের যে চাঁদনী ছাড়া আর কেউই নেই৷

তখন চাঁদনী বিবাহ করবে না বলে নির্ণয় নেয়৷ নিজের স্বার্থ ত্যাগ করে সে তার ভাই-বোনের দায়িত্ব গ্রহন করে আর তাদের নিজে
IFMIFM
জীবনে প্রতিষ্ঠা করার জন্য প্রতিজ্ঞা করে৷ চাঁদনীর এই নির্ণয়কে প্রেম সমর্থন করে৷ চাঁদনীর সংঘর্ষ শুরু হয়েছে তার সুখ-দু:খ দুটোতেই প্রেম সম্পূর্ণ সহযোগীতা করে৷

চাঁদনীর ভাই-বোনকে প্রতিষ্ঠা করতে প্রায় বারো বছর লেগে গেল৷ তারপরেও প্রেম বারো বছর চাঁদনীর জন্য অপেক্ষা করে৷ একটি সাধারণ মেয়ে যদি মহিলার মতো সকল দায়-দায়িত্ব গ্রহন করতে হয়৷ তাহলে তাকে কতটা কঠিন সংঘর্ষের মধ্যে দিয়ে সফর করতে হয় তা শুধু সেই জানে৷ এই ফিল্মে স্ত্রী-পুরুষ দুজনকেই গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে৷
এখানে তথ্য খুঁজুন
ভিডিও দেখুন
অতিরিক্ত
দশবিড়ানিয়া  
দোস্তানা
ফ্যাশান: গ্ল্যামার জগতের আয়না
হিরোজ: যুদ্ধের কাহিনী নয়
গোলমাল রিটার্নস  
হর্ণ ওকে প্লিজ