ছবি: হালে দিল নির্মাতা: কুমার মঙ্গত নির্দেশক: অনিল দেবগণ সঙ্গীত পরিচালক: বিশাল ভরদ্বাজ, আনন্দ রাজ আনন্দ, প্রীতম, রাঘব সচর৷ অভিনয়ে: অমৃতা পাঠক, নকুল মেহতা, অধ্যয়ন সুমন, কাজল-অজয় দেবগণ(বিশেষ ভূমিকায়) হালে দিল ছবিটা দেখে একটা প্রশ্নই মাথায় আসে কি দেখে নির্মাতা-নির্দেশকরা এরকম স্ক্রিপ্টের উপর ছবি তৈরী করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন৷ অপরদিকে স্ক্রিপ্ট লেখকের দিকে আঙুলটা যায় তিনি কি আদৌও স্ক্রিপ্ট লিখতে জানেন? টশান, জিমীর থেকেও খারাপ ছবি হল হালে দিল৷ আর এর সমস্ত দায়িত্বটাই স্ক্রিপ্ট লেখকের উপর বর্তায়৷ খুব সুন্দর লোকেশানে এই ছবির শুটিং করা হয়েছে৷ ছবির মিউজিকও খুব ভাল৷ এই ছবির তারকারাও ভাল অভিনয় করেছেন৷ কিন্তু লেখকের জন্য ছবির আকর্ষনটাই নষ্ট হয়ে গেছে৷
ছবির গল্পে সঞ্জনা অর্থাত অমৃতা পাঠক্ ভালবাসাকে পবিত্র বলে মনে করে৷ অপরদিকে শেখর (নকুল মেহতা) যে মেয়েকে দেখে সে সেই মেয়ের প্রেমে পড়ে যায়৷ রোহিত(অধ্যয়ন কুমার )মনে করে ভালবাসার কোন সীমা নেই৷ সঞ্জনার জীবনে এমন একটা পরিস্থিতি আসে যখন তাঁকে রোহিত আর শেখরের মধ্যে একজনকে নির্বাচন করতে হয়৷ এই ছবির আরম্ভ হওয়ার শুরু থেকেই দেখার আকর্ষন কেমন যেন কমে যায়৷ প্রতিটা দৃশ্য দেখেই মনে একটা প্রশ্ন জাগে কেন এমন হচ্ছে৷
অনিল দেবগণ এর আগে রাজু চাচা এবং ব্ল্যাকমেল ছবিতে নির্দেশনা করেছিলেন৷ এই ছবির থেকে ঐ দুটো ছবি অনেক ভাল ছিল৷কিন্তু এই ছবিতে অনিল তাঁর দক্ষতা একেবারেই প্রকাশ করতে পারেন নি৷ তবে একটা পজিটিভ দিক হল এর মিউজিক৷ প্রত্যেকটা গান অসধারন ভাবে চিত্রাঙ্কন্ করা হয়েছে৷ অভিনেতা নকুল মেহতার মধ্যে আত্মবিশ্বাস আছে৷ কি করে অভিনয় করতে হয় তা তিনি ভাল করে জানেন৷
অপরদিকে অধ্যয়ন সুমনের মধ্যেও অভিনয় প্রতিভা রয়েছে৷ কিন্তু এই ছবিতে সঠিকভাবে তাঁকে পেশ করা হয় নি৷ অমৃতা একজন দক্ষ অভিনেত্রী কিন্তু এই ছবিতে তাঁর মেক আপটা ভাল হয় নি৷ তাঁকে বয়সের তুলনায় অনেক বড় বলে মনে হয়েছে৷ সব মিলিয়ে হালে দিল ছবিটা বক্স অফিসে একেবারেই চলবে না৷
|