দীর্ঘ বেশ কয়েক দিন পরে সিনেমা হলে মুক্তি পেয়েছে একটি নতুন ছবি৷ মাল্টিপ্লেক্স, ডিস্ট্রিবিউটার আর প্রডিউসারদের ঝামেলার অবসান না হলেও দর্শকরা 99 ছবিটা মাল্টিপ্লেক্সেই দেখতে পাবেন৷ তবে এত দিন পরে নতুন ছবি দেখার সুযোগটা হয়ত অনেকেই হাতছাড়া করতে চাইবেন না৷ 99 দেখে মনের খোরাক কতটা মিটবে তা বলা দায়৷ কারণ এই ছবিকে উত্কৃষ্ট ছবি হিসাবে আখ্যা দেওয়া যায় না৷
ছবির কাহিনীতে ঘটনাক্রম হল 1999 সালের৷ কুণাল কেমু ও সাইরাস ব্রোচা এরা দুই বন্ধু৷ দুজনেই জাল সিম কার্ডের ব্যবসা করে৷ একদিন তারা একটা গাড়ি চুরী করে বিপদে পড়ে৷ কারণ তারা এক গ্যাঙ্গস্টারের (মহেশ মঞ্জেরেকার )গাড়ি চুরী করে বসে৷ ঘটনাক্রমে গাড়িটা দূর্ঘটনার শিকার হয়৷ গ্যাঙ্গস্টার তাদের কাছে গাড়ির ক্ষতিপূরণ চেয়ে বসে৷ এই কাহিনীর প্রেক্ষাপটেই ছবিটা গড়েছেন নির্দেশক রাজ আর ডিকে৷
ঘটনা রুপান্তরের জন্য ছবিতে নানা চরিত্র রেখেছেন তারা৷ এটা বলিউডে তাদের প্রথম ছবি৷ তবে প্রথম ছবিতে কতটা সফলতা লাভ করবেন তা নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়েছে৷ ছবিটা দেখতে গিয়ে দর্শকদের মনে বিরক্তি আসবে৷ ছবিতে মিউজিকের তেমন একটা সুযোগ নেই৷ টুকরো টুকরো ভাগেই ছবিতে গান গুলো দেওয়া হয়েছে৷ তবে রাজীব রাই এর সিনেমোটোগ্রাফিটা একেবারে চোখ ধাঁধানো৷ ছবির সংলাপও খারাপ নয়৷ কিছু কিছু দৃশ্যে চিরাগ তোদিওয়ালার সম্পাদনা একেবারে নিখুঁত৷
IFM
IFM
ছবির তারকাদের মধ্যে কুণাল কেমুর অভিনয়টা জোরালো৷ বোমন ইরানীর অভিনয় প্রশংসার যোগ্য নয়৷ সোহা দিন দিন ভাল অভিনেত্রী হিসাবে নিজেকে প্রমাণ করছেন৷ সাইরাসের রোলটা ভীষণই মজার৷ বিনোদ খান্না, মহেশ মঞ্জেরেকার, সিমন সিং এরা সকলেই তাদের চরিত্রের ডিমান্ডকে পূরণ করেছেন৷ সবে মিলে ছবির প্রথম ভাগটা থেকে দ্বিতীয় ভাগটাই বেশী আকর্ষণীয়৷