1929 সালের 28শে ডিসেম্বর ইন্দোরে স্বনামধন্য গায়িকা লতা মঙ্গেশকর জন্মগ্রহন করেন৷ আজ তিনি 79 বছরে পা দিয়েছেন৷ লতাজী হলেন একজন কিংবদন্তী শিল্পী৷ ঈশ্ব্ররের আশীর্বাদে তিনি মধুর আওয়াজ লাভ করেছেন৷
লতাজীকে কোকিল কন্ঠী বলে আখ্যা দেওয়া হয়েছে৷ পৃথিবীতে তিনিই এমন এক মহিলা যিনি নিজের সুমিষ্ঠ কণ্ঠের দ্বারা ব্যাপক সম্মান ও প্রতিপত্তি লাভ করেছেন৷ লতাজীর কন্ঠ এতই মধুর যে শিশু থেকে বৃদ্ধ সব বয়সের মানুষই তাঁর গান শোনার পর মুগ্ধ হয়ে যান৷
লতাজীর গান শুনে শিশুরা তাড়াতাড়ি ঘুমিয়ে পড়ে৷ তরুণ সম্প্রদায় প্রেমের ক্ষেত্রে প্রেরণা লাভ করে৷ বৃদ্ধ ব্যক্তিরা তাদের একাকীত্ব থেকে মুক্ত হতে পারেন৷ লতাজীর পরিবারের সকলেই সঙ্গীত জানেন৷ তাঁর বোন আশা ও উষা এরা দুজনেই বিখ্যাত গায়িকা৷
তাঁর ভাই হৃদয়নাথ মঙ্গেশকর সঙ্গীত সাধনার পাশাপাশি সঙ্গীত পরিচালনাও করেন৷ সঙ্গীত সাধনা ও সঙ্গীতে প্রতিপত্তি অর্জনের দিক দিয়ে এই মঙ্গেশকর পরিবার সারা বিশ্বের মানুষের কাছে এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে৷ লতাজীর কাছে সঙ্গীত মানে ভগবানের পূজো৷
তিনি রেকর্ডিং এর সময় খালি পায়ে গান করেন৷ লতাজীর বাবা তাঁকে একটি তানপুরা উপহার দিয়েছিলেন৷ তিনি এখনও সেটা যত্ন করে রেখে দিয়েছেন৷ গানের পাশাপাশি তিনি ফটো তুলতে খুব ভালবাসেন৷ তিনি অনেক ছবি তুলেছেন৷
বিদেশে তাঁর তোলা ছবির প্রদর্শনীও করা হয়েছে৷ এছাড়া তিনি ক্রিকেট খেলা দেখতে ভালবাসেন৷ যে দিন ভারতের ক্রিকেট ম্যাচ থাকে লতাজী সব কাজ ছেড়ে ক্রিকেট দেখতে বসেন৷ কখনও কাগজে কিছু লেখার হলে সবার প্রথমে তিনি ভগবান শ্রীকৃষ্ণের নাম লেখেন৷
তিনি তাঁর সঙ্গীত জীবনের শুরুতে অনেক পরিশ্রম করেছেন৷ আয়েগা আনে বালা গানটি রেকর্ড করার সময় তাঁকে 22 বার পুনরায় করতে হয়েছিল৷ কোলাপুরী মাংস আর ফিশ কারি তাঁর প্রিয় খাবার৷ চেখব, টলস্টয় ও খলীল জিব্রানের সাহিত্যিক রচনা পড়তে তাঁর খুব ভাল লাগে৷
|