মুখ্য পৃষ্ঠা >  মনোরঞ্জন > ভ্রমণ > বঙ্গ দর্শন
পরামর্শ বা প্রতিক্রিয়ামিত্রকে পাঠানএই পৃষ্ঠা প্রিন্ট করুন
 
আধুনিক শহর সিঙ্গাপুর
WDWD
দক্ষিন পূর্ব এশিয়াতে নিকোবর দ্বীপের 1500 কিমি দূরত্বের মধ্যে সুন্দর শহর সিঙ্গাপুর অবস্থিত৷ বিগত 20 বছর ধরে সিঙ্গাপুর পর্যটন ও ব্যবসার কেন্দ্র হিসাবে এক গুরুত্বপূর্ণ স্থান অর্জন করেছে৷ 1819 সালে স্টেমফোর্ড রেফল্স আধুনিক সিঙ্গাপুরের প্রতিষ্ঠা করেন৷ এখনও সিঙ্গাপুরের ডলার এবং পয়্সায় সিঙ্গাপুরের আধুনিক নাম সিঙ্গাপুর এবং পুরোনো নাম সিঙ্গাপুরা লেখা থাকে৷

1965 সালে মালয়েশিয়া থেকে বিচ্ছিন্ন হওয়ার পর নতুন সিঙ্গাপুর রাষ্ট্রের উদ্ভব হয়েছিল৷ অর্থশাস্ত্রবিদরা সিঙ্গাপুরকে আধুনিক চমত্কার বলে উল্লেখ করেছেন৷ মালয়েশিয়া থেকে জল, নিউজিল্যান্ড থেকে দুধ,ফল,সবজী অস্ট্রেলিয়া থেকে ডাল, চাল এবং অন্যান্য দৈনন্দিন ব্যবহার্য সামগ্রী থাইল্যান্ড এবং সিঙ্গাপুরে ইন্দোনেশিয়া থেকে আনা হয়৷ এই দেশটির জনসংখ্যা হল প্রায় 35 লাখ৷

সিঙ্গাপুরে চীন, মলয় এবং ভারতের অধিবাসীরা বাস করেন৷ এখানকার স্থানীয় অধিবাসীরা খুব পরিশ্রমী৷ এখানকার রাস্তাঘাট খুব পরিষ্কার৷ রাস্তাঘাটে যানবাহনের মাত্রা প্রচুর হওয়া সত্ত্বেও এখানে পরিবেশ দূষিত হয় না৷এখানে কোন রকম সড়ক দুর্ঘটনা হয় না৷ সিঙ্গাপুরের উল্লেখযোগ্য দর্শনীয় স্থানগুলি হল তিন সংগ্রহালয়, জুরোগ ওয়ার্ল্ড পার্ক, রেপ্টাইল পার্ক, জুওলজিক্যাল গার্ডেন, সাইন্স সেন্টার, সেটোসা দ্বীপ, পার্লিয়ামেন্ট হাউস, হিন্দু, চীনা এবং বৌদ্ধ মন্দির এবং চীনাও জাপানী বাগান৷

সিঙ্গাপুরে একটি মিউজিয়াম আছে৷ সেই মিউজিয়ামে সিঙ্গাপুরের স্বাধীনতার ইতিহাস আকর্ষক থ্রী ডি ভিডিওর মাধ্যমে দেখানো হয়৷ এই স্বাধীনতার সংগ্রামে ভারতের অধিবাসীরাও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল৷ এখানকার কালচার মিউজিয়ামে বিভিন্ন জাতির উত্সবের বর্ননা দেওয়া হয়েছে৷ এখানকার জুরোগ ওয়ার্ল্ড পার্কটি এশিয়ার মধ্যে সব থেকে বড় পার্ক৷ এখানে 600 প্রজাতির 800 থেকেও বেশী পাখী সংগৃহীত আছে৷ দক্ষিনের রোদের কৃত্রিম আবহাওয়া তৈরী করে পেঙ্গুইন পাখী রাখা হয়েছে৷

এখানে 30 মিটার উচু একটি জলপ্রপাত তৈরী করা হয়েছে৷ স্টার ওয়ার্ল্ড শো এখানে দেখানো হয়৷ এই শোতে এখানে পাখিকে টেলিফোনে কথা বলতে দেখা যায়৷ রেপ্টাইল পার্কে 10 ফুট লম্বা একটি কুমীর আছে৷ এছাড়া এখানকার জুওলজিক্যাল গার্ডেনে এনিমেল ফিডিং শো এবং লায়ন ডান্স শো পর্যটকদের খুবই আকর্ষন করে৷
অতিরিক্ত
ওংকারেশ্বর মন্দির
প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের অধিকারী মহাবালেশ্বর
পর্যটনের হাল বেহাল
সব ঋতুতেই আকর্ষনীয় গোয়া
চিত্তাকর্ষক কারগিল, লেখক : জয়দীপ নাথ
চাপরামারি