মালয়েশিয়া মুসলিম বহুল দেশ হওয়া সত্ত্বেও মালয়েশিয়াতে প্রচুর মন্দির আছে৷ এই মন্দিরগুলোও কোন ছোট্ মন্দির নয়৷ মধ্যম, আকারের এই মন্দিরে এক সঙ্গে পাঁচ হাজার মানুষ বসে পূজো করতে পারেন৷ মালয়েশিয়ার্ কেমরুন হাইলেডস পাহাড়ি অঞ্চলে দক্ষিন ভারতের শৈলীর কিছু মন্দির আছে৷ এই মন্দিরগুলো ভারতীয় পর্যটকদের আকর্ষন্ করে৷
মালয়েশিয়াতে 32% চীনের আর 9% ভারতীয় বাস করেন৷ ভারতীয়দের মধ্যে অধিকাংশই দক্ষিন ভারতের লোক৷ কেউ ট্যাক্সি চালান তো কেউ নির্মান ক্ষেত্রে কাজ করেন৷ অপরদিকে বেশীরভাগ মহিলারা হাসপাতালে কাজ করেন৷ এই সব মানুষরাই মালয়েশিয়াতে তাদের সংস্কৃতির অনুরুপ মন্দির নির্মান করেছেন৷
গত দশ বছরে মালয়েশিয়াতে মন্দিরের সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে৷ প্রায় সব বড় শহরেই একটা করে মন্দির নির্মান করা হয়েছে৷ মালয়েশিয়া সরকার সকল ধর্মের প্রতি সমান মনোভাব পোষন করে৷ সেইজন্য কোন মন্দির নির্মানের সরকারের কাছ থেকে খুব সহজেই মন্দির নির্মানের অনুমতি পাওয়া যায়৷
মালয়েশিয়ার সব মন্দিরেই ভক্তদের পূজো করার জন্য সুব্যবস্থা করা হয়েছে৷ কুয়ালালামপুরে প্রতি বছর ধার্মিক সভা অনুষ্ঠিত হয়৷ এতে ভারতীয়রা যোগদান করে৷ লঙ্কাবীর দক্ষিন ভারতীয় মন্দিরগুলোতে শ্রীলঙ্কার পুরোহিতরা পূজো অর্চনা করেন৷ এই পুরোহিতরাই মন্দিরের দেখাশুনা করেন৷ যে সব ভক্তরা এই সব মন্দির দর্শন করতে আসেন তারা এই পুরোহিতদের দিয়ে পূজো অর্চনা করান৷ উত্সব চলাকালীন্ ওখানকার ভারতীয়রা সকলেই মন্দিরে ভগবানের উদ্দেশ্যে সেবা প্রদান করেন৷
|