হিমাচলের শৈল শহর কসৌলী৷পর্বতে ঘেরা এই স্থানটির প্রাকৃতিক সৌন্দর্য অতি মনোরম৷কসৌলী থেকে হিমালয়ের বরফাবৃত শৃঙ্গ গুলো দেখতে পাওয়া যায়৷তবে আকাশ পরিস্কার থাকলেই এই দৃশ্য চক্ষুগোচর হয়৷ এখানে শীতটাও বেশ প্রখর৷গরমকালে গেলেও ল্যাগেজের মধ্যে শীতের বস্ত্র নিতে কখনই ভুলবেন না৷ আর পর্বতের দেশে সানরাইস দেখতে সবাই চায়৷তাই ঠকঠক করে কাঁপতে কাঁপতে সান রাইস দেখতে হলে খুব তাড়াতাড়ি বিছানা ছাড়তে হবে৷আর আপনার হোটেলের রুমের কাচ দিয়েই যদি পর্বতের শৃঙ্গগুলো দৃষ্টিগোচর হয় তাহলে বাইরে যাবার কোন প্রশ্ন নেই৷জানালার কাচ খুলে দিলেই আপনি সানরাইস দেখতে পাবেন৷ চলুন কৌসালীর আকর্ষনীয় স্থান গুলোর সম্বন্ধে জেনে নেওয়া যাক৷ মাঙ্কি পয়েন্ট: কসৌলী থেকে 4 কিমি দূরে মাঙ্কি পয়েন্ট নামে এই স্পটটি অবস্থিত৷ মাঙ্কি পয়েন্টের প্রাকৃতিক দৃশ্য অতি মনোরম৷এখানে একটা হনুমানের মন্দির রয়েছে৷পুরাণে আছে ভগবান হনুমান যখন হিমালয় সঞ্জীবনী নিয়ে আসছিলেন তখন তিনি এই পর্বতের চটিতে পা রেখেছিলেন্৷তাঁর চরণের চিহ্নটাও এই পাহাড়ে দেখা গেছিল৷ ক্রাইস্ট গিরিজাঘর: ইংরেজ আমলের একটা প্রসিদ্ধ গির্জা এখানে রয়েছে৷ 1844 সালে এই গির্জাটি স্থাপনা করা হয়েছিল৷ সাবাথু: 1900 শতাব্দীতে এই ক্যান্টলমেন্ট শহরটি স্থাপিত হয়েছিল৷ বৃটিশদের রাজত্বকালে সৈন্যরা এখানে বাস করতেন৷ দাগশাহি: কসৌলী থেকে 19 কিমি দূরে দাগশাহি এই স্থানটি অবস্থিত৷পাহাড়ের মাঝে সবুজের সমারোহ চোখে পড়বে এখানে৷ দেবদারু,পাইন আর ইউক্যালিপট্যাসের মাঝে পাখীদের কলাকাকুলী শুনতে শুনতে আপনি এই স্থানের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য উপভোগ করতে পারবেন৷দাগশাহি প্রাকৃতিক এতই মনোরম যে দাগশাহি দেখার জন্যই পর্যটকরা কসৌলীতে আসেন্৷ কেমন করে যাবেন? বিমানপথে: কসৌলীর নিকটতম বিমানবন্দরটি হল চন্ডীগড়৷ এছাড়া এখান থেকে সিমলার দূরত্ব বেশী নয়৷ রেলপথে: হরিয়ানা থেকে ট্রেনে করে আপনি কালকা পর্যন্ত যেতে পারবেন৷ কালকা থেকে কসৌলী 40 কিমি দূরে অবস্থিত৷আর সোলন এখান থেকে 44 কিমি দূরত্বে অবস্থিত৷ সড়কপথে: সোলন এবং কসৌলী যাওয়ার জন্য বাসও পাওয়া যায়৷ চন্ডীগড় এবং দিল্লী থেকে ট্যাক্সি নিয়েও আপনি এই স্থানে যেতে পারবেন৷ |
|