মুখ্য পৃষ্ঠা > মনোরঞ্জন > ভ্রমণ > বঙ্গ দর্শন > শান্তির প্রকৃতি : পালমপুর
পরামর্শ বা প্রতিক্রিয়ামিত্রকে পাঠানএই পৃষ্ঠা প্রিন্ট করুন
 
শান্তির প্রকৃতি : পালমপুর

WDWD













হিমাচল প্রদেশের কাঙড়া ঘাটিতে পালমপুর নামক জায়গাটি একটি শান্ত পরিবেশ৷ ধৌলাধর পর্বতমালার ছায়ায় অবস্থিত এই শহরটি৷ সমুদ্রতলদেশ থেকে এর উচ্চতা প্রায় 1205 মিটার৷ 'পালমপুর' এই নামের উত্পত্তি হযেছে স্থানীয় ভাষা 'পুলম' শব্দ থেকে৷ এর অর্থ পর্যাপ্ত জল৷ পালমপুরে চারিদিকে প্রচুর জলের স্রোত, ঝরনা ও নদী রয়েছে৷ বোধ হয় তারই জন্য এখানকার আবহাওয়া এতটাই শীতল ও সঙ্গে আদ্রতাও রযেছে৷ আদ্র জলবায়ু চা চাষের জন্য অনুকুল৷ কাঙড়া ঘাটির চা বিশ্ব প্রসিদ্ধ৷ পালমপুরের আশেপারে চা বাগান ভর্তি৷

পালমপুরের চা বাগান পর্যটকদের কাছে আকর্ষনীয় দৃশ্য৷ এই চা বাগান দেখার জন্যই পর্যটকেরা অনেক দূর পর্যন্ত পায়ে হেঁটে চলে যায়৷ পথের দুধারে চায়ের বাগান৷ মহিলা-পুরুষ উভয়েই পাতা ছিড়ছে৷ আর পর্যটকেরা তাদের ফটো তুলছে৷ কি সুন্দর মনোরম দৃশ্য৷

নিউগল খন্ড এখানকার একটি বড় পিকনিক স্পট৷ পঠারের 'ছেড়ে' অবস্থিত 'বান্দলা' জলধারা তথা ধৌলাধর, যা প্রায় 1500 ফুট উচু পর্বতশৃঙ্খলার একটি সুন্দর দৃশ্য৷ এখানে হিমাচল পর্যটনের নিউগল ক্যাফে রযেছে৷ তার ঠিক কিছুটা দূরেই অবস্থিত পাঁচ শতাব্দীরও বেশী পুরানো বান্দলা মাতার মনিদ্র অর্থাত বিশ্ববাসিনী মন্দিরও বিশেষ দর্শনীয় স্থল৷ পালমপুরের উচু পাহাড়ে আপনি দেখতে পাবেন চীর ও দেবদারু-র জঙ্গল যা পর্যটকদের মনকে আকৃষ্ট করে৷ সুভাষ চৌক এই শহরের কেন্দ্র৷ এখানে বাজার বসে৷

পালমপুরের নিকটস্থ স্থানের মধ্যে রয়েছে অন্দ্রেটা, বৈজনাথ, চামুন্ডা দেবী ইত্যাদী৷ ট্যাক্সী বা বাসে করে এই সকল জায়গা অতি সহজে ঘুরে দেখা যায়৷ পালমপুরে যাত্রার বাস্তবিক আনন্দ উপভোগ করতে হলে পাঠানকোট থেকে যে টয়ট্রেন চলে তাতে করেই সফর করা উচিত৷
এখানে তথ্য খুঁজুন
অতিরিক্ত
প্রকৃতিতে পুরাণ "পাচমাঢ়ী"
রাজস্থানের আকর্ষন মাউন্ট আবু
শৈলশহর কসৌলী
প্যাকেজ ট্যুর সফরের সমস্যা দূর করে
প্যাকিং করা একধরণের আর্ট
নতুন গন্তব্য-অজানা টিহরি