পেশ্যান ফ্রুট যার অপর নাম কৃষ্ণকমল ফল হাঁপানীর মহাওষুধ৷ এরিজোনো বিশ্ববিদ্যালয় আর ইরানের মশাদ মেডিক্যাল বোর্ডের বৈজ্ঞানিকদের নতুন গবেষণাতে এই তথ্যটি উঠে এসেছে৷ প্রতি বছর হাঁপানি আক্রান্ত 4 কোটি মানুষ এই ফলটা খেয়ে উপকার পাচ্ছেন৷ বৈজ্ঞানিকদের গবেষণাতে এটাই জানা গেছে যে প্যাশান ফলের চোকলায় কিছু যৌগিক, অম্ল এবং রাসায়নিক পদার্থ থাকে যা হাঁপানি দূর করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে৷
আগে মূলত দক্ষিন আফ্রিকাতেই প্যাশান ফলটা উত্পন্ন হত৷ কিন্তু এর উপকারিতা জানার পর সমগ্র বিশ্বেই এর চাষ করা হচ্ছে৷চিকিত্সকরা বলেন হাঁপানী প্রতিরোধের জন্য বাজারে যে সা ওষুধ পাওয়া যায় সে সব ওষুধের তুলনায় প্যাশান শরীরের উপর খুব কম প্রভাব ফেলে৷ কিন্তু বাজারের সেই ওষুধ গুলোর তুলনায় প্যাশান ফল খেলে হাঁপানীর কষ্ট থেকে মুক্তি পাওয়া যায়৷ এই ফলের প্রভাব কতটা পজিটিভ তা জানান জন্য বৈজ্ঞানিকরা এই ফলের চোকলা শুকিয়ে এর পাউডার তৈরী করেন৷ তাঁরা আমেরিকা ও ইরানের হাঁপানী রোগীদের এই পাউডার খাওয়ান৷
এই পাউডার খাওয়ার চার সপ্তাহ পর থেকেই রোগীরা এর পজিটিভ প্রভাব বুঝতে পারেন৷ রোগীদের কাঁশি কমে যায় এবং তাদের শ্বাস নিতেও কোন সমস্যা হয় না৷ বৈজ্ঞানিকদের গবেষণাতে আর একটি তথ্য জানতে পারা গেছে তা হল এই ফলের মধ্যে এমন তিনটে রাসায়নিক পদার্থ আছে যা রক্তচাপ এবং হাইপারটেনশন নিয়ন্ত্রন রাখতে সহায়তা করে৷ আর এই কারনেই হাঁপানী রোগীরা এই ফলটা খেয়ে উপকৃত হন৷
|