বিংশ শতাব্দীর প্রথমদিকে ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলন বৃদ্ধি পায়৷ 1904 সালে সিস্টার নিবেদিতা স্বামীজীর আর্দশে উদ্বুদ্ধ হয়ে ভারতে আসেন৷ তিনি একটি পতাকা তৈরী করেন যার নাম পরবর্তীকালে নিবেদিতা পতাকা নামে উচ্চারিত হয়৷ এই পতাকার উপরের দিকে ব্রিটিশ পতাকার চিন্হ ছিল৷
এছাড়া পতাকায় একটা বজ্র চিন্হ ছিল ও সারা পতাকা লাল রংয়ের৷ বজ্র চিন্হের মাঝখানে ছিল সাদা পদ্ম৷ লাল রংয়ের পতাকার ইনসেটটা ছিল হলুদ রংয়ের৷ লাল রং স্বাধীনতার উদ্দেশ্যে সংগ্রামকে বোঝাত, হলুদ রং ছিল জয়ের প্রতীক ও সাদা রংয়ের পদ্ম ছিল শুদ্ধতার প্রতীক৷ এরপর বাংলা বিভাগের পর 1906-07-08 সালে প্রথম তিন রংয়ের পতাকা তৈরী করেন কলকাতার পার্সী বাগান স্কোয়ারের সচিন্দ্র প্রসাদ বোস৷
প্রথমে ছিল কমলা রং, মধ্যিখানে ছিল হলুদ রং ও সর্বশেষে সবুজ রং৷ সবুজ রংয়ের স্ট্রীপে ছিল একটা পদ্মফুল ও অর্ধবৃত্তাকার চাঁদ৷ বন্দে মাতরম শব্দটা মধ্যিখানে দেবনাগরী ভাষায় লেখা ছিল৷ পরে এটা ক্যালকাটা ফ্লাগ নামে পরিচিত হয়৷
1907 সালের আগস্ট মাসের 22 তরিখে তিনি একটা পতাকা তৈরী করেন৷ প্রথমে ছিল সবুজ রং, মধ্যিখানে গেরুয়া রং ও সর্বশেষে লাল রং৷ সবুজ রং ছিল 8টি পদ্মফুল৷ নীচের লাল রংয়ের স্ট্রীপে ছিল সূর্য ও অর্ধবৃত্তাকার চাঁদ৷
বন্দে মাতরম শব্দটা মধ্যিখানে দেবনাগরী ভাষায় লেখা ছিল৷ এরপর অনেক পতাকার বিবর্তনের মধ্য দিয়ে অবশেষে এই তিরঙ্গা পতাকা হয়েছে৷
|