2002 সালের আইন অনুযায়ী সাধারণ জনগণ প্রচারের কারণে জাতীয় পতাকা ওড়াতে পারবে না শুধুমাত্র জাতীয় ছুটির দিন বাদ দিয়ে৷ একমাত্র সরকারি অফিসে জাতীয় পতাকা ওড়ানো যাবে৷
এই ব্যাপারে শিল্পপতি নভীন জিন্দাল দিল্লি হাইকোর্টে একটা জনস্বার্থ মামলা করে৷ জিন্দাল তাঁর অফিস বিল্ডিংয়ের একেবারে মাথাতে জাতীয় পতাকা রেখেছিলেন কিন্তু সেটা জাতীয় পতাকা আইন বিরুদ্ধ কাজ, জাতীয় পতাকাটিকে বাজেয়াপ্ত করা হয় এবং তাঁকে জানানো হয় যে সে এটা করে সন্মানবিরোধী কাজ করেছে৷
জিন্দালের বক্তব্য ছিল যে সে জাতীয় পতাকা বিরোধী এরকম কোন কাজ করেনি এবং সে একজন সন্মানীয় ব্যক্তি এবং এটার মাধ্যমে তাঁর দেশ ভারতবর্ষকে সে ভালবাসে এটাই প্রমাণ করতে চেয়েছে৷ শেষপর্যন্ত এই মামলাটি সুপ্রীম কোর্ট পর্যন্ত গড়ায়৷ দেশের শীর্ষতম আদালত এই ব্যাপারে ভারত সরকারকে একটা কমিটির মাধ্যমে সমস্যার সমাধান করতে বলে৷
এরপর দেশের সংসদীয় কমিটি জাতীয় পতাকার আইনের ব্যাপারে তাদের রায় দেয় যে সাধারণ মানুষ সারা বছর প্রতিদিনেই পতাকা ওড়াতে পারবে কিন্তু তাদের জাতীয় পতাকার গৌরব, সন্মান ও শ্রদ্ধা রাখতে হবে৷ এই আইনটি সংশোধিত হয় 2002 সালের 26শে জানুয়ারী৷
এই মামলাটি ইউনিয়ন অফ ইন্ডিয়া বনাম নভীন জিন্দাল নামে খ্যাত৷
|