পশ্চিমবাংলায় রাখী উত্সবে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ভূমিকা অনস্বীকার্য৷ পশ্চিমবাংলাতে তিনি এই রাখী উত্সবের সূচনা করেছিলেন সমগ্র বাংলার জন্য৷ 1905 সালে ইংরেজরা চক্রান্ত করে সমগ্র অবিভক্ত বাংলাকে বিভক্ত করে৷
ঠিক সে সময় কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর সমগ্র বাংলাকে একসূত্রে বাঁধার জন্য চিন্তাভাবনা করেন৷ তিনি বঙ্গভঙ্গ রোধ করার জন্য তা বলে কোনরকম হিংসার পথ অবলম্বন করেন নি৷
কিংবা তিনি সমগ্র বাংলাতে সশস্ত্র আন্দোলনেরও ডাক দেন নি৷ আর এর জন্য যে রাখী সর্বোত্তম মাধ্যম সেটা তিনি চিন্তা করে নেন৷ এরপর তিনি রক্ষাবন্ধনের দিন ধনী গরিব সমস্ত মানুষদের নিয়ে রাখী পরানো রীতি চালু করেন৷ সমস্ত ধর্মের মানুষ সে গরীব হোক বা ধনী সবাই এই রাখীতে অংশ নেন ও এইভাবে তিনি ইংরেজ শাসকদের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানিয়েছিলেন৷
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের রাখী এখন পশ্চিমবাংলাতে রক্ষা বন্ধন উত্সব হিসাবে পালিত হয়৷ কলকাতার কতিপয় কিছু কলেজ রাখী উত্সব পালন করে৷ ছাত্র-ছাত্রীরা এই দিনটিতে রবীন্দ্রনাথের সঙ্গীত গেয়ে ও কবিতা পাঠ করে পালন করে৷
ছাত্রছাত্রীরা একে অপরের হাতে রাখী পড়ায় ও শিক্ষক-শিক্ষিকাদের হাতেও রাখী পড়িয়ে প্রেম ও ভাতৃত্ববোধ বাতাবরণের সৃষ্টি করে৷ এরপর একে অপরকে মিষ্টি মুখ করানোর পালা চলে৷
কিছু সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংস্থাও কবিগুরু ঠিক যেভাবে রাখী উত্সবের সূচনা করেছিল ঠিক সেভাবে তারা পালন করে৷
|