নেতাজির মৃত্যু রহস্য আজও ভারতবাসীর কাছে ঘনকালো মেঘের ছায়ার স্বরূপ৷ কারণ নেতাজির মৃত্যু বিষয়ে সরকারের তরফ থেকে জানানো হয়েছিল, 1945 সালের 18 আগষ্ট নেতাজি নাকি এক বিমান দূর্ঘটনায় নিহত হন৷ যা এখনও নেতাজি প্রেমীদের কাছে অবিশ্বাস্য ব্যাপার৷ এখনও নেতাজির এই বিমান দূর্ঘটনার ঘটনা অনেকেই মেনে নিতে পারেননি৷
এই সমস্ত বিতর্ক ভুলে ভারতবাসী যখন নেতাজির 111 তম জন্ম দিবস পালন করায় প্রস্তুত হচ্ছেন, ঠিক সেই সময় ভারত সরকারের পক্ষথেকে নেতাজির সেই বিতর্কিত বিমান দুর্ঘটনা কথা আরেকবার সামনে নিয়ে আসা হল৷ সরকারের বক্তব্য নেতাজির মৃত্যু ঐ বিমান দুর্ঘটনাতেই হয়েছিল৷
গোয়েন্দাবিভাগ থেকেও এই মতামতই প্রকাশ করা হয়েছে৷ গোয়েন্দা বিভাগের বক্তব্য ছিল নেতাজি বিমানের যে অংশে বসেছিলেন সেইখানে বিমানের পেট্রোলের ট্যাঙ্ক থাকার দরুন ট্যাঙ্কারের বিস্ফোরণে নেতাজির শরীর সম্পূর্ণ রূপে পুড়ে যায় এবং তা থেকেই নেতাজির মৃত্যু হয়৷ এই সত্যতা সরকারের তরফ থেকে মেনে নেওয়া হলেও সাধারণ জনগণের এই রিপোর্ট নিয়ে যথেষ্ট সন্দেহ আছে৷ এদের মধ্যে অনেকেরই ধারনা নেতাজির বিমান রহস্য এক পরিকল্পিত ঘটনা৷
জনপ্রিয় সাংবাদিক বরুণ সেনগুপ্ত তার লেখা নেতাজি সম্পর্কিত একটি বইয়ে এমন কিছু তথ্য জনগণের সামনে রেখেছেন যা থেকে এই বিষয়ে সন্দেহ আরো তীব্র হয়ে ওঠে৷ যাদের জন্য ভারতের জনগণ স্বাধীনতার 60 বছর অতিক্রম করল৷ দেশের নেতারা বৃটিশের সজ্জিত কুর্সির বদলে নিজেদের সজ্জিত কুর্সিতে আশীন হলেন৷ সেই জনদরদী নেতারা কি 60 বছর পরেও নেতাজির এই অন্তর্ধান রহস্য কবর থেকে বের করতে পারবেন না, নাকি করবেন না?
|