মুখ্য পৃষ্ঠা > অন্যান্য বিষয় > ওয়েবদুনিয়ার বিশেষতা 08 > মহাশিবরাত্রি
পরামর্শ বা প্রতিক্রিয়ামিত্রকে পাঠানএই পৃষ্ঠা প্রিন্ট করুন
 
তারকেশ্বর

পশ্চিমবঙ্গের প্রসিদ্ধ তীর্থ স্থান তারকেশ্বর৷ মহাশিব রাত্রির দিনে সহস্রেরও বেশী ভক্ত এখানে আসেন পূজার উদ্দেশ্যে৷ চৈত্রসংক্রান্তির গাজন উত্সবে লক্ষ লক্ষ যাত্রীর সমাবেশ হয়৷ শ্রাবণী মেলাও একটি উল্লেখযোগ্য উত্সব৷

এরূপ জনশ্রুতি আছে যে, বালীগড় পরগনার অধীন জঙ্গলাকীর্ণ এই স্থানে গ্রামের স্ত্রীলোকেরা একটি পাষণখন্ডের উপর ধান ভানত৷ মুকুন্দ ঘোষ নামে জৈনিক গোপ স্বপ্নাদেশে তাকে স্বয়ম্ভু শিবলিঙ্গ বলে জানতে পারেন এবং সন্ন্যাসধর্ম গ্রহণ করে তার সেবা করতে থাকেন৷

রামনগরের রাজা ভারমল্ল দশনামী শৈব সন্ন্যাসী তারকেশ্বরের প্রথম মোহান্ত মায়াগিরি ধূম্রপানকে তারকেশ্বরের মঠ প্রতিষ্ঠার জন্য উপযুক্ত সম্পত্তি প্রদান করেন৷ সেই থেকে গিরি সম্প্রদায় তারকেশ্বর মঠের কর্তৃত্ব গ্রহণ করে আসছেন৷

বর্ধমানের মহারাজ পরবর্তী কালে মন্দির সংস্কার করে দেন৷ 1924 খ্রীষ্টাব্দে মোহান্তের অত্যাচার ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে তারকেশ্বরে সত্যাগ্রহ হয়৷ আন্দোলনের ফলে মন্দিরটি কিছুকাল সরকারি রিসিভারের তত্ত্বাবধানে ছিল৷

মন্দিরের অভ্যন্তরে একটি বাসুদেব মূর্তি ও শিবলিঙ্গ আছে৷ অনেকে একে ব্রক্ষ্মা বলে নির্দেশ করেন৷ মন্দিরের মধ্যে পটাঙ্কিতা দুর্গা এবং পূর্বদিকে কালিকার মন্দির অবস্থিত৷ মন্দিরের পাশে রয়েছে বাবার দুধপুকুর৷ কথিত আছে দুধপুকুরে স্নান করে মনের যা কামনা তা প্রার্থনা করলে পূর্ণ হয়৷

কি ভাবে যাবেন:-----------------------------------
কলকাতা থেকে দুরত্ব 58 কিলোমিটার৷ কলকাতার হাওড়া স্টেশন থেকে ট্রেন বা বাসে সরাসরি তারকেশ্বর আসা যায়৷
অতিরিক্ত
: শ্রী শিব চালীসা :