মুখ্য পৃষ্ঠা > অন্যান্য বিষয় > ওয়েবদুনিয়ার বিশেষতা 08 > মহিলা দিবস
পরামর্শ বা প্রতিক্রিয়ামিত্রকে পাঠানএই পৃষ্ঠা প্রিন্ট করুন
 
এখনো এগোতে হবে অনেকটা পথ
প্যাট্রিয়ন কর্মকার, প্রতিনিধি, কলকাতা

প্যাট্রিয়ন কর্মকার, প্রতিনিধি, কলকাত

চলমান পৃথিবীতে সকলকেই একদিন নিজের পায়ে দাঁড়াতে হবে৷ কে আগে, কে পরে এই হিসাব পরে করলেও চলবে৷ চলতি প্রবাদ নীতি কথা নিয়ে ছেলেমেয়েদের সাফল্যের ডিগ্রী নিয়ে তর্ক বিতর্কে না যাওয়াই ভাল৷ শুধুমাত্র ভারতবর্ষের নারীদের কাছে এখনকার সমাজ কি? তাদের কাছে তা সুসমাজ না কুসমাজ, তাদের কাছে ভাল না মন্দ? রাজনীতিবিদ বা নেতারা তো বলেই ফেলেছেন ব্যক্তিস্বাধীনতার দিক থেকে মেয়েদের অনেক ছাড় আছে৷ সত্যি কি তাই? আপনাদের কি মত? আলোচনা তো অনেকেই করেন৷ আমরাও একটু আলোচনার মাধ্যমে ব্যাপারটাকে ঠান্ডা করি৷ কার কি অভিযোগ, নাকি আনন্দ, না উন্নতি, নাকি অবনতি৷

সিবিএসসি বোর্ডের পরীক্ষার্থী অর্ণা মজুমদার এব্যাপারে একতরফা বক্তব্য পেশ করেছেন৷ তার মতে এখনও ছেলেদের থেকে মেয়েদের গুরুত্ব অনেক কম৷ তার মতে ছেলেদের বাড়তি সুবিধা দেওয়া হয় তবুও মেয়েরা বর্তমান যুগে ছেলেদের থেকে পিছিয়ে নেই৷ বাড়ির দিদির কাছে থেকে তিনি অবশ্যই সাহাহ্য পান৷ পড়াশুনা থেকে শুরু করে ইন্টারনেট ওয়েব দুনিয়া কোন কিছুতেই পিছিয়ে নেই৷ কিন্তু যারা অনাথ তারা এখনও সাহায্যের হাত থেকে বহু দূরে রয়েছে৷ তাদের জন্য আলাদা উন্নয়ন ব্যবস্থা নেওয়া উচিত৷

আরেক ছাত্রী মানালী কর মনে করেন এখনকার যুগ অনেক মর্ডান৷ কাজ সঠিক ভাবে করতে পারলে সাফল্য সঠিক ভাবেই পাওয়া যাবে৷ সঠিক ভাবে সাফল্য করতে হলে পুরুষদেরই শুধু নয় মেয়েদের আরও অনেক উন্নত হতে হবে কাজকর্মে৷ তাহলেই পৃথিবী থেকে হাটানোর ক্ষমতা কারুর থাকবে না৷ এর জন্য তিনি অবশ্য বলেছেন বাবা,মায়েরা, দাদারা দিদিরা সাহায্যের জন্য অবশ্যই পিছনে রয়েছেন৷ তাতে কোনো সন্দেহ নেই৷

আমান দ্বীপ কর বললেন এখনকার যুগ আর আগের মতো নেই৷ সমাজে তিনি একজন ভারতীয় নাগরিক৷ অন্যান্য ভারতীয় নাগরিকদের মতো তিনিও সমাজের নিয়ম নীতিতে খুশি৷ তার মতে স্কুলের স্যার থেকে শুরু করে বাবা, মা সবাই সাহায্য করতে এগিয়ে আসে৷ কোন কোন জায়গায় মেয়েদের এখনও নিচু করা হয়৷ কিন্তু সেইসব কাটিয়ে এখনকার মেয়েরা এখন অনেক শিক্ষিত ও বুদ্ধিমতী৷

সিবিএসই বোর্ডের আর এক ছাত্রী শৃশালী পাল মনে করেন ভারতবর্ষে এখন বিশৃঙ্খলা ছড়িয়ে রয়েছে৷ এখনও কোন কোন পরিবারে ছেলে না মেয়ে হলে তাকে মেরে ফেলা হ্য়৷ তার একটাই প্রশ্ন ছেলেরাই সবকিছু করতে পারে, মেয়েরা কি কিছুই পারে না? তার মতে মেয়েদের এখনও কোন ব্যক্তি স্বাধীনতা নেই৷ এমনকি বাড়িতেও ৷ বাবা, মা এমনকি স্কুলের শিক্ষক শিক্ষিকাদের কাছ থেকে সাহায্য পেলেও একদিন তাদের এই গন্ডি থেকে বেরুতে হবে৷ তখন না বাবা, মা থাকবে না থাকবে দিদি, দাদা৷ সেই সময় অনেক লোক হাত বাড়ালেও, অনেকের সাহায্যের নামে থাকবে ভন্ডামি৷

সবশেষে বলা যায় যে শিক্ষা আর আলোর অভাবে ভারতবর্ষের নারীরা এখনও অনেক কাজে যোগ দিতে পারেন নি৷ টাকা পয়সার লোভে জীবিকা নয় পেশা নয়, গর্তে পড়ে অনেক মেয়েদের বেশ্যাবৃত্তি করতে হচ্ছে৷ তাই এগুলিকে দূর করতে মানুষের সঙ্গে মানুষের অনুশোচনা, অনুপ্রেরণা প্রয়োজন৷ তাহলেই আগামী প্রজন্ম সুষম, সুবলিষ্ট হবে৷
অতিরিক্ত
নারীর ক্ষমতায়নঃ তাত্ত্বিক প্রেক্ষাপট
দরকার আরও বেশী শিক্ষা
নির্ভয় সত্য কথা
ভারতে নারীর ক্ষমতায়ন
ফেস্টিভ্যাল
নারী দিবস অর্থহীন ঝর্না, মালতিদের কাছে