দেশ জুড়ে চলতে থাকা মুদ্রাস্ফীতি ও মুল্যবৃদ্ধি নিয়ে সরকার কিছু পদক্ষেপ নিলেও তার কোন সরাসরি প্রভাব খোলাবাজের দেখা যাচ্ছে না৷ 19 -শে এপ্রিল শেষ হওযা সপ্তাহে মুদ্রাস্ফীতি 42 মাসের মধ্যে সর্ব্বোচ জাযগায় গিয়ে হয়ে ছিল 7.57 শতাংশ৷ এর পরে 26-শে এপ্রিল শেষ হওয়া সপ্তাহে মুদ্রাস্ফীতি নতুন করে বেড়ে হয়েছে 7.61 শতাংশ৷
এমন কি সরকারের নেওয়া পদক্ষেপ সত্বেও পাইকারী বাজরে মুদ্রাস্ফীতির প্রভাব একই রকমের রয়েছে৷ এর পাশাপাশি নতুন করে বেড়েছে বেশ কিছু জিনিসের দাম৷ এর মধ্যে চায়ের পাতার দাম বেড়েছে শুধু 11 শতাংশ৷ এমন কি বেড়েছে ফল, শাকসব্জির দাম এক শতাংশ৷ মাছের দাম 2 শতাংশ ও অন্য কিছু মশালার দাম বেড়েছে 3 শতাংশ৷ শুধু মাত্র কমেছে কিছু প্যাকেট জাত পণ্যর দাম৷
এর পাশাপাশি ভোজ্য তেলের দাম কোন কোন ক্ষেত্রে বেড়েছে প্রায় 4 শতাংশ৷ গতকাল পর্যন্ত কেন্দ্রীয় মন্ত্রী আশ্বাস দিয়েছিলেন নিত্যপ্রজনীয় পণ্যের দাম কিছু দিনের মঢ্যে স্বাভাবিক হয়ে যাবে৷ কিন্তু নতুন করে মুল্যবৃদ্ধি সরকারে কাছে অশনি সঙ্কেত৷
সরকার মুল্যবৃদ্ধি নিয়ন্ত্রনে যে সকল পদক্ষেপ নিয়েছিল তা যে বিশেষ ভাবে খোলা বাজারে প্রভাব বিস্তাত করতে পারে নি তা নতুন করে মুল্যবৃদ্ধির দিয়ে বোঝা যাচ্ছে৷ বামের সরকারে উপর চাপ বাড়ালেও এখন যে সমাধানের রাস্তা থেকে বহু দুরে তা আবার প্রমাণ হয়ে গেল৷
|