তালিবান কমান্ডার মোল্লা ওমর পাকিস্তানে আত্মগোপণ করে সন্ত্রাসবাদী কার্যকলাপ নিয়ন্ত্রণ করছেন৷ একেবারে আমেরিকার এক প্রথম শ্রেনীর সংবাদপত্রে এখবর প্রকাশিত হয়েছে৷ সেখানে বলা হয়েছে কোয়েটা অঞ্চলে আত্মগোপন করে আছে মোল্লা ওমর৷ তালিবান জঙ্গিদের মধ্যে লাদেনের পর নেতৃত্ব দিয়ে থাকেন মোল্লা ওমর৷
এমন কি সংবাদপত্রে দাবি করা হয়েছে পাকিস্তানের একাধিক অঞ্চলে ও আফগানিস্তানের একাধিক প্রদেশ স্থানীয় সরকারের পাশাপাশি ওমর নিজস্ব প্রশাসন চালায়৷ এমন কি তার পুরো কাজ পরিচালোনার জন্য 10 সদস্যেরে একটা টিম আছে৷ শুধু তাই নয় পৃথিবীর কোন প্রান্তে কি ভাবে জঙ্গি কার্যকলাপ চালানো হবে তার একটা নিদিষ্ট ব্লু প্রিন্ট এখানেই তৈরি হয়৷ স্বাভাভিক ভাবে এটা যে সন্ত্রাসের আতুঁর ঘর তা নিয়ে আর সন্দেহের অবকাশ রইল না৷
এর পাশাপাশি তালিবানদের এক মুখপাত্র টেলিফোনে আমেরিকার সংবাদ মাধ্যমের কাছে স্বীকার করেছেন তাদের এই ধরনের নেটওর্য়াক আছে৷ তবে সংবাদ মাধ্যমের খবরে দাবি করা হযেছে জঙ্গি কার্যকলাপ পরিচালোনার ক্ষেত্রে মোল্লা ওমরের থেকে বেশি ভয়্ঙ্কর মোল্লা বদার৷ পৃথিবীর বহু নাশকতামূলক কাজকর্মের নেতৃত্ব অত্যন্ত গোপন থেকেই পরিচালনা করেছেন বদার৷
এদিকে পাকিস্তানের সরকারের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে আই এস আই-য়ের সঙ্গে আর কোন ভাবেই কিন্তু তালিবানদের যোগযোগ নেই৷ তবে এখবর যে সত্য নয় তা জানিযেছেন তালিবনা মুখপাত্র৷ তিনি দাবি করেছেন পাকিস্তানের সেনাবাহিনীর সহয়তার তালিবানরা নিজেদের প্রযুক্তি ব্যাবহার করে অস্ত্র বানাতে তত্পর হয়েছে৷
তালিবান জঙ্গিদের এক বড় অংশের ট্রেনিং হয় পাকিস্তানে মাটিতে৷ আর সে ব্যাপারে যে পাক প্রশাসনের মদত আছে তা স্বীকার করেছেন এই তালিবান নেতা৷ দীর্ঘ দিন ধর এ কেন্দ্রীয় সরকার দাবি জানিয়ে আসছে পাকিস্তানে জঙ্গি ঘাঁটি এখনও ভীষণ ভাবে সক্রিয়৷
ইতিমধ্যে এর কিছু প্রমাণ পাকিস্তানের হাতে তুলে দিলেও কিন্তু পাক সরকার কখনই তা স্বীকার করতে রাজি নয়৷ এমন কি তারা দ্বিপাক্ষিক আলোচনায় তো বটেই আন্তর্জাতিক মঞ্চে প্রমাণ করার চেষ্ঠা করেছেন তার জঙ্গিদের ব্যাপারে কিছু জানেন না৷ এবার তালিবান নেতারা মন্তব্যে নতুন করে সমস্যা বাড়ল গিলানি সরকারের৷
|