মার্কিন মুলুকে প্রেসিডেন্ট পদে পরিবর্তন হলেও বিদেশ নীতির ক্ষেত্রে বিশেষ কোন পরিবর্তন আসবে না৷ এমন কি ভারতের সঙ্গে সম্পর্কে একই পথে চলবে বলে জানান ওয়াইট হাউসের মুখপাত্র ডানা পিরনো৷
পিরনো বলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট বুশের কার্যকালে ভারতের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের প্রতিটি ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য উন্নতি হয়েছে৷ সে অসামরিক পরমাণু চুক্তি হোক অথবা বাণিজ্য সংক্রান্ত কোন চুক্তি৷ এই পরিবর্তনকে ঐতিহাসিক বলে পিরনো বলেন, বারাক ওবামা আগামী বছরে জানুয়ারীতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট পদে আনুষ্ঠানিক ভাবে বসার পরে কোন ভাবেই নীতিগত ভাবে কোন পরিবর্তনের সম্ভাবনা নেই৷
এর পাশপাশি ভারত ও আমেরিকা অসমারিক পরমানু চুক্তি আক্ষরিক অর্থে ঐতিহাসিক বলে ব্যাখ্যা করেন৷ এই চুক্তি যে সম্পর্কের ক্ষেত্রে এক নতুন দিগন্তের সূচনা করেছে তাও পরিস্কার করে দিয়েছেন ওয়াইট হাউসের মুখপাত্র৷
এর পরে ওবামার কার্যকালে চুক্তির ভবিষ্যত ও যে সমাণ্য আনুষ্ঠানিকতা বাকি আছে তা নিয়ে প্রশ্ন করেন৷ উত্তরে পিরনো জানান চুক্তির সামগ্রিক রুপরেখার কোন পরিবর্তনের সম্ভাবনা নেই৷ এমন কি ওবামার সরকার যে বুশের বিদেশ নীতিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে চাইছেন তাও পরিস্কার করে দিয়েছেন৷ তবে চুক্তি সংক্রান্ত এখনও কিছু কাজ যে অসমাপ্ত আছে তাও স্বীকার করে নিয়েছেন৷ তবে জানিয়ে দিয়েছেন এর জন্য চুক্তির রুপরেখা বা ভবিষ্যত নিয়ে শঙ্কিত হওয়ার কোন কারণ নেই৷ তবে ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের ভিত্তি যে এখন বেশ শক্তিশালী তাও পরিস্কার করে দিয়েছেন৷
এদিকে ওবামা সরকার আপতত ভাবে অল্বরাইটকে দায়িত্ব দিয়েছেন জি-20 শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে যোগাযোগ রেখে চলার জন্য৷ দায়িত্ব নিয়েই ইতিমধ্যে অল্বরাইট কিন্তু একান্ত বৈঠক করেছেন যোজনা কমিশনের ডেপুটি চেয়ারম্যান মন্টেক সিং আলুআলিয়ার সঙ্গে৷
সেখানে আলুআলিয়াকে পরিস্কার করে দিয়েছেন ওবামা প্রশাসনের লক্ষ্যে ভারতের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে আরও মজবুত করা৷ প্রধানমন্ত্রী যখন কিছু দিন আগে জি-20 বৈঠকে যোগ দেওয়ার জন্য মার্কিন মুলুকে গিয়েছিলেন তখন তার সঙ্গে ছিলেন মন্টেক সিং আলুআলিয়া৷ সেই বৈঠকে ছিলেন মার্কিন মুলুকে ভারতীয় রাষ্ট্রদূত রনেন সেন৷ |