মুম্বাই সন্ত্রাসের পর মুহূর্তে থেকে যখন ভারত ও পাক সম্পর্ক মানে শুধু তিক্ততা তখন সন্ত্রাসের কালো ছায়াকে পেছনে সরিয়ে রেখে নতুন পথে হাঁটার জন্য ও শান্তি স্থাপনের লক্ষ্যে ওয়াঘা সীমান্তে জড়ো হয়েছিলেন ভারত ও পাকিস্তানের মানবিধিকার কর্মী৷ দুই দেশের মধ্যে বাড়তে থাকা টেনশনের মধ্যে এই পদক্ষেপকে যথেষ্ট ইতিবাচক বলে মনে করছে আন্তর্জাতিক মহল৷
26/11-এর পরে সরাসরি ভারত পাকিস্তান যুদ্ধে জড়িয়ে না পড়লেও সম্পর্ক যে তলানিতে তা কিন্তু সরাসরি স্বীকার করে নিচ্ছেন উভয দেশের শীর্ষ নেতৃত্ব৷ সেই সম্পর্ককে নতুন করে গড়ে তোলার ক্ষেত্রে এবার শান্তিকামী মানুষ ও মানবধিকার কর্মীদের এগিয়ে আসা অত্যন্ত ইতিবাচক বলে মনে করা হচ্ছে৷
শান্তি স্থাপনের লক্ষ্যে রবিবার আর্টারি বর্ডারে আসেন পাকিস্তানের মানবধিকার সংগঠনের প্রধান আসমা জাহাঙ্গির ও সাউথ এশিয়া ফ্রি মিডিয়া অ্যাসোসিয়েশনের সম্পাদক ইমতিয়াজ আলম৷ তারা ওয়াঘা সীমান্ত পেরিয়ে অমৃতসরে আসেন৷ সেখানে ভারতীয় কতৃপক্ষের সঙ্গে বৈঠক করেন৷
সেই বৈঠক মুম্বাই সন্ত্রাস ও তার পরবর্তী বিষয আলোচনায় উঠে আসে৷ বৈঠক শেষ উভয় দেশের প্রতিনিধিরা একযোগে জানিয়েছেন যুদ্ধ কোন সমস্যার সমাধান নয়৷ আলোচনা করে সমস্যা সমাধানের রাস্তা খুজে বার করতে হবে৷ পাশাপাশি মুম্বাই ঘটনার নিন্দা করেন ও মৃতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানান৷ পাশাপাশি জানিয়ে দিয়েছেন পাকিস্তানের মাটিতে জঙ্গি ঘাঁটি আছে৷ সেই ঘাঁটি ধ্বংস করার জন্য পাক সরকারকে এগিয়ে এসে ব্যবস্থা নিতে হবে৷
|