বৃহস্পতিবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট হিসাবে শেষবার জাতির উদ্দেশ্য ভাষণ দেবেন জর্জ বুশ৷ হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র ডানা পিরনো সাংবাদিকদের একথা জানান৷ সম্ভবত 15 থেকে 20 মিনিটের এই ভাষনে নিজের কার্যকালের কাজের খতিয়ান তুলে ধরবেন৷ পাশাপাশি বেশ খানিকটা আত্মপক্ষ সর্মথন করতে হবে বলে মনে করছেন মার্কিন মুলুকের সাংবাদিকরা৷
সম্প্রতী মার্কিন মুলুকে এক সমীক্ষায় দেখা গেছে এখন পর্যন্ত সমস্থ মার্কিন প্রেসিডেন্টের মধ্যে বুশ সব থেকে কম জনপ্রিয়৷ এমন কি দেশের অধিকাংশ মানুষ তার কার্যকালের নেওয়া সিদ্ধান্তের সঙ্গে সহমত নয়৷ স্বাভাবিক ভাবে ইরাক যুদ্ধ থেকে আফগানিস্থান, সেখানে থেকে পাকিস্তানের সঙ্গে বিদেশ নীতির ঘনিষ্ঠতা সবটাই তার সময়ের কালো অধ্যায়৷
পাশাপাশি তার বক্তব্যে থাকবে আগামী দিনে দেশের সামনে অর্থনৈতিক থেকে সামরিক দিকে কি চ্যালেঞ্জ আছে, ও কি ভাবে সেই চ্যালেঞ্জের মোকাবিলা করা সম্ভব তার বিস্তারিত৷ তবে মার্কিন মুলুকের অধিকাংশের মতে কিন্তু বিশ্ব জুড়ে যে আর্থিক মন্দা চলছে তার সিংহভাগ দায় মার্কিন প্রেসিডেন্টের৷ কেন সময় মত সিদ্ধান্ত নেওয়া গেল না সমস্যা মোকাবিলার জন্য৷ তা সম্ভব হলে কিন্তু এখন চিত্রটা এতটা ভয়াবহ হত না৷ এখন দেশের অভ্যন্তরে ও বাইরে তার জনপ্রিয়তা প্রায় তলানিতে ঠেকেছে৷
বুশ নিজের ভাষণে পরবর্তী মার্কিন প্রেসিডেন্ট ওবামা সমন্ধে কি মনোভাব তা পরিস্কার করতে পারেন৷ জাতির উদ্দেশ্য ভাষণের পরে সাংবাদিকদের সঙ্গে মুখোমুখি হবেন৷ তবে সেখানে যে তার অভিঞ্জতা খুব একটা সুখকর হবে না তা কিন্তু বলতে শুরু করেছেন দেশ ও বিদেশের সাংবাদিকরা৷
বিদায়ের সময় যত এগিয়ে আসছে সমস্যা ততই গভীর হচ্ছে বুশের জন্য৷ সকলের আশা সাংবাদিক সন্মেলনে খানিকটা খোলাখুলি কথা বললেও জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণে কিন্তু বিদায়ী মার্কিন প্রেসিডেন্ট যেভাবে ভাষণ দিয়ে থাকেন সেই ধারার বাইরে যাবে না৷
|