পাকিস্তানের ওয়ারিজিস্তানে পাক সেনা বাহিনী তালিবানদের বিরুদ্ধে অভিযান শুরু করার পরেই তেহরিক-ই-তালিবান জঙ্গিরা যে ভাবে সারা পাকিস্তান জুড়ে আত্মঘাতী হামলা শুরু করেছে তা কি ভাবে সামাল দেওয়া সম্ভব তা নিয়ে এক গুরুত্বপূর্ন বৈঠক করলেন পাক প্রধানমন্ত্রী ইউসুফ রাজা গিলানি৷
সেই বৈঠকে একদিকে যেমন পাক প্রশাসনের শীর্ষ কর্তরা উপস্থিত ছিলেন৷ পাশাপাশি সেনা কর্তার সেই বৈঠকে অংশ নিয়ে ছিলেন৷ বৈঠকে মূলত আলোচনা হয়েছে কি ভাবে পাকিস্তানে তালিবানদের জঙ্গি হামলা সামাল দেওয়া সম্ভব ও অন্যদিকে ওয়ারিজিস্থানে সেনাবাহিনীর কি ভাবে তালিবানদের মোকাবিলা করবে৷
বৈঠকে শেষে পাক প্রধানমন্ত্রী পরিস্কার করে দিয়েছেন তালিবান জঙ্গি হামাল সামাল দেওয়ার জন্য এক নিদিষ্ট নীতি গ্রহণ করছে পাক সেনা৷ তবে তালিবানদের জঙ্গি হামলার মুখে কোন ভাবে মাথানত করবে না পাক সেনা বাহিনী৷ তারা আগামী দিনে একই ভাবে জঙ্গিদের বিরুদ্ধে সেনা অভিযান জারি রাখবে৷
সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে গিলানি সারাসরি আন্তর্জাতিক চাপের প্রসঙ্গে কিছু না বললেও জানিয়ে দিয়েছেন এখন কোন অবস্থায় সেনা প্রত্যাহার সম্ভব নয়৷ তার কারণ হিসাবে পাকিস্তানের অভ্যন্তরীন নিরাপত্তার প্রসঙ্গ তুলে এনেছেন৷
পাক সেনা বাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যদি কোন ভাবে তালিবানদের দাবির কাছে সরকার মাথানত করে তাহলে আগামী দিনে এদের নিযন্ত্রণ করা কার্যত অসম্ভব হয়ে যাবে৷ এর পাশাপাশি পাক সেনার উপরে আন্তর্জাতিক মহলের চাপ রয়েছে যে ভাবেই হোক তালিবান জঙ্গিদের পাক মাটি থেকে উত্খাত করতে হবে৷
ইসলামাবাদ প্রশাসন ওয়ারিজিস্তানে পাক সেনা সংখ্যা বৃদ্ধি করে অভিযান জোরদার করলে পাল্টা তেহরিক-ই-তালিবান জঙ্গিরা পাকিস্তান জুড়ে আত্মঘাতী হামলা শুরু করে৷ এই হমালায় প্রায় নিয়ম করে সাধারণ মানুষের মৃত্যু হচ্ছে৷ স্বাভাবিক ভাবে দেশের মধ্যে সরকার বিরুদ্ধে অসন্তোষ মাথা চাড়া দিচ্ছে৷ এই অবস্থা সামাল দেওয়ার জন্য একদিকে অভ্যন্তরীন নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করে সেনা অভিযান চালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে৷