"তোমাকে স্মরণ করি এই দুর্দিনে, হে দুর্গম, হে মহানায়ক৷৷"
23 জানুয়ারী, মানেই ভারতের সেই বীর নায়কের জন্মদিন৷ স্বাধীনতা সংগ্রামের এই মহামানয়ক পরাধীন ভারতে জনম গ্রহণ করেন৷ কিন্তু তার চোখ জুড়ে ছিল স্বাধীন ভারতের রঙ্গিন স্বপ্ন৷ তাই দেশের মানুষদের স্বাধীনতার আলো দেখাতে চেয়েছিলেন৷ বৃটিশ সরকারের যে নির্মম অত্যাচার ভারতবাসীর বুকে আছড়ে পড়েছিল, তার বিরুদ্ধে আওয়াজ তুলেই সুভাষচন্দ্র বসু নেতাজি হয়ে ওঠেন৷
মনন ও বিবেকের দংশনে নেতাজি বৃটিশ সরকারের অধীনে ইন্ডিয়ান সিভিল সার্ভিসকে একেবারে বৃদ্ধাঙ্গুষ্ঠ দেখিয়ে স্বাধীনতা যুদ্ধে নিজেকে উত্সর্গ করেন৷ বৃটিশ শাসনের মূর্হমুহ আঘাতও নেতাজিকে তাঁর ব্রত থেকে টলাতে পারেনি৷ বলা ভালো বৃটিশ সরকারের আঘাত তাঁকে আরও মানিস্ক ভাবে শক্ত করেছিল৷ বিদেশের জমিতে পাড়ি জমিয়ে ভারতের নিজেস্ব সৈন্যবলে সমূলে আঘাত এনেছিলেন বৃটিশ সরকারের উপর৷ যার আঘাতে অনেকটাই ভঙ্গুর হয়ে যায় সাম্রাজ্যবাদ এবং ঔপনিবেশিকতাবাদের দর্প৷ কিন্তু কালের সন্ধিক্ষণে নেতাজি যেন কোথায় হারিয়ে গেলেন৷ তবে হারিয়ে গেলেও আপামর ভারতীয়দের মনে যে বিপ্লবগাঁথা তিনি রচনা করেছিলেন তা আজও প্রজ্জ্বল্যমান৷
সেই অজেয় শক্তির কান্ডারী, অজাতশত্রু, অশীতপর বীর নায়ককে অন্তরের অন্তিম আবেদন - তুমি ফিরে এসো যুগনায়ক নেতাজি... তুমি ফিরে এসো৷
শুভ দাশগুপ্তের কবিতা ধার করে বলা চলে, " ভারতবর্ষ অধীর অপেক্ষায় কান পেতে আছে, ইথার তরঙ্গে কবে হঠাত শোনা যাবে স্বাধীনতার নিজস্ব কন্ঠস্বর, আমি সুভাষ বলছি৷"
|