ঢাক ঢাক গুড়গুড় নয়, এবার বাম শিবিরে ব্যস্থাতা সর্মথণ প্রত্যাহারের চিঠির বয়ান নিয়ে৷ বাম নেতার সরাসরি স্বাকীর করে নিয়েছেন, গতকাল বৈঠকে চিঠিতে ঠিক কি বিষয়ের উপর জোর দেওয়া হবে তা নিয়ে আলোচনা হবে৷ বাম নেতাদের এর আগে দেওয়া সময় সীমা আজ শেষ হচ্ছে৷ যদিও আজ তারা সর্মথণ প্রত্যাহার করছেন না বলেই জানা গেছে৷
প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং ভারত ও আমেরিকা বিল নিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্টের সঙ্গে দেখা করে কথা বলার জন্য সময় ধার্য হয়েছে বুধবার৷ বাম সূত্রের ইঙ্গিত প্রধানমন্ত্রী বিল সম্পাদন করা নিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্টকে প্রতিশ্রুতি দিলেই তারা আনুষ্ঠিনিক ভাবে সর্মথণ প্রত্যাহারের চিঠি রাষ্ট্রপতিকে পাঠিয়ে দেবেন৷ তবে বাম সংসদের এক অংশের এখনও মত আরও খানিকটা সময় অপেক্ষা করে দেখার৷ এমন কি বিল নিয়ে সরকার কবে আন্তর্জাতিক পরমাণু সংগঠনের কাছে প্রতিনিধি পাঠাবেন তার জন্য অপেক্ষা করে দেখতে চান৷
এর সঙ্গে বাম নেতারা দ্বিধায় রয়েছেন প্রধানমন্ত্রী যখন বিদেশ সফরে রয়েছেন, সেই সময় সর্মথন প্রত্যাহার করা কতটা সঠিক সিদ্ধান্ত হবে৷ এর আগে নানা সময়ে দিশীহীন রাজনীতি করার অভিযোগ আছে বামেদের বিরুদ্ধে৷ এবার এই সিদ্ধান্ত সেই ধারণাকে আরও পোক্ত করবে কিনা তাই নিয়ে বির্তক তৈরি করেছে বাম মহলে৷
বাম সূত্রের খবর তারা চিঠিতে অসামারিক পরমাণু বিলের পাশাপাশি, সরকারের আরও নানা ব্যর্থতা তারা চিঠিতে তুলে ধরবেন বলে জানা গেছে৷ এর মধ্যে আছে মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রনে সীমাহীন ব্যর্থতা৷ যে অভিন্ন নুন্যতম কর্মসূচীর উপর ভিত্তি করে ইউ পি এ-কে সর্মথণ দিয়েছিল বামেরা তার সিকিভাগ পূরণ হয়নি৷
তার থেকে গুরুতর অভিযোগে জহরলাল নেহেরু আমল থেকে কেন্দ্রীয় সরকার যে জোট নিরপেক্ষ বিদেশ নীতিকে নিয়ে এগিয়ে গিয়েছিল বর্তমান সরকার তাকে লঘ্নন করেছে৷ বামেরা সরকারের বিরুদ্ধে একটা চার্জশিট তৈরির প্রস্তুতি নিয়েছন বলে জানা গেছে৷
|