ভারতীয় সংবিধান বিট্রেনের সংবিধানের অনুপ্রেরিত হয়ে তৈরি হলে বেশ কিছু ক্ষেত্রে আলাদা৷ ভারতীয় সংসদে স্পিকার নিরপেক্ষ হলেই তিনি পার্টি সদস্য৷ কিন্তু বিট্রেনে স্পিকার নির্বাচিত হওয়ার পরে দল থেকে ইস্তফা দেওযার রীতি আছে৷ আমাদের দেশে সেরকম কোন নিদিষ্ট নিয়ম না থাকায় স্পিকারকে দলের অংশ মনে করা হয়৷ সোমনাথ বাবুকে দল থেকে বহিস্কারের পর কংগ্রেস সোমনাথ বাবুর পক্ষে প্রচারে নামলে সি পি এম উপায়ান্ত না দেখে পাটি মুখপাত্র পিপলস ডেমোক্রেসিতে এই প্রসঙ্গ উল্লেখ করে একদিকে যেমন সোমনাথ বাবুর নৈতিকতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন আবার একদিকে কংগ্রেস রাজনৈতিক কৌশল বানচাল করার চেষ্ঠা করেছেন৷
2004 সালে ইউ পি এ সরকার গঠনের পর সি পি এমকে সরকার যোগ দেওয়ার আমন্ত্রণ জানানো হয়৷ কিন্তু সি পি এম রাজি না হলে স্পিকার পদ গ্রহণের জন্য অনুরোধ করা৷ সেই সময় সি পি এমের অভ্যন্তরে সিদ্ধান্ত হয়েছিল কোন ভাবে সরকার থেকে সর্মথন প্রত্যাহার করলে সোমনাথ বাবু স্পিকার পদ থেকে সরে দাড়াবেন৷
কিন্তু সোমনাথ বাবু দায়িত্ব বোধের কথা তুলে স্পিকার পদে কাজ চালিযে যেতে থাকেন৷ স্বাভাবিক ভাবে লোকসভার আস্থা ভোটের পর সি পি এম থেকে বহিস্কার করা হয় সোমনাথ বাবুকে৷
তবে এই নিবন্ধের পর আর একটা প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে, তাহলে কি সর্মথন করার সময় সর্মথ তোলার কথা ভেবে রেখেছিলেন বাম নেতারা৷ অনেকের মতে এক বির্তক চাপা দিতে গিয়ে অন্য বির্তক শুরু হতে পারে৷
|