দেশকে সন্ত্রাস মুক্ত করার জন্য যে কোন পদক্ষেপ নিতে পারে দিল্লি৷ এই মুহূর্তে দিল্লির কাছে সব থেকে বড় চ্যালেঞ্জ দেশ জনগনের নিরাপত্তা৷ দেশকে নিরাপদে রাখতে গিয়ে প্রয়োজনে কঠিন পদক্ষেপ নিতে পিছ পা হবে না সরকার৷ শিলং 96 তম ন্যাশানাল জাতীয় কংগ্রেসের উদ্ধোধন করতে গিয়ে একথা বলেন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং৷
তিনি এবার পরিস্কার করে বুঝিয়ে দিয়েছেন দিল্লি তার দাবি থেকে এক পা সরবে না৷ প্রয়োজন কঠোর পদক্ষেপ নেবে৷ তবে যুদ্ধ যে সরকার চায় না তা পরিস্কার করেছেন৷
প্রধানমন্ত্রী বলেন, যুদ্ধ কোন সমস্যার সমাধান নয়৷ তবে জাতীয় নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করা সরকারের প্রাথমিক কর্তব্য৷ মুম্বাই সন্ত্রাসের পেছনে যে সকল পাকিস্তানের নাগরিক জড়িত তাদের দিল্লির হাতে তুলে দিতে হবে৷ এই ব্যাপারে কোন রকম ভাবে দিল্লির তার দাবি থেকে সরে আসবে না৷
প্রসঙ্গত মুম্বাই সন্ত্রাসের ঘটনার পর থেকেই কিন্তু দিল্লি দাবি জানিয়েছে সন্ত্রাসের চক্রান্তকারীরা পাকিস্তানের নাগরিক৷ তাদের আটক করে দিল্লির হাতে তুলে দিতে হবে৷ প্রথমে পাকিস্তান সন্ত্রাসের ঘটনায় জড়িত দিল্লির এই দাবি অস্বীকার করলেও পরে জানিয়েছে দিল্লিকে পাকিস্তান বা তাদের দেশে থাকা কোন সংগঠন জড়িত তার সমস্থ প্রমাণ ইসলামাবাদের হাতে তুলে দিলে তারা পাক আইন অনুসারে ব্যবস্থা গ্রহণ করবে৷ তবে দিল্লির পক্ষ থেকে জানিয়ে দেওয়া হযেছে তাদের দাবি মত পাকিস্তানের নাগরিকদের দিল্লির হাতে হস্তান্তর করতে হবে৷
প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণা থেকে পরিস্কার দিল্লির তার নিজের অবস্থানে অনড়৷ প্রধানমন্ত্রী জানান এই মুহূর্তে দেশের সামনে চ্যালেঞ্জ সন্ত্রাস নিয়ন্ত্রণ ও বিশ্ব জুড়ে চলতে থাকা অর্থনৈতিক মন্দার মোকাবিলা করা৷ সরকার উভয় ক্ষেত্রে একটা নিদিষ্ট রুপরেখা তৈরি করেছে৷ এবার সেই অ্যাকশান প্লান অনুসারে কাজ হবে৷
পাকিস্তানের নাম করে মনমোহন সিং বলেন, এবার অন্তত পাকিস্তানের শুভ বুদ্ধির উদয় হবে৷ তারা বুঝবেন সন্ত্রাস কোন সমস্যার সমাধান হতে পারে না৷ মুম্বাইয়ের ঘটনা যে দিল্লিকে কঠোর অবস্থান নিতে বাধ্য করেছে তা বুঝিয়ে দিয়েছেন৷
|