মুম্বাই সন্ত্রাসের সঙ্গে সরাসরি ভাবে জড়িত সন্ত্রাসবাদীদের যে তালিকা প্রকাশ করা হবে তার মধ্যে কিন্তু এখন পর্যন্ত দাউদ ইব্রাহিমের নাম নেই৷ অন্তত মুম্বাইয়ের ক্রাইম ব্রাঞ্চের এক নির্ভরযোগ্য সূত্র থেকে একথা জানা গেছে৷
নাম প্রকাশে অনৈচ্ছুক এক শীর্ষ আধিকারিক বলেন তালিকা নিয়ে শেষ কথা বলার সময় এখনও আসেনি৷ তদন্ত চলছে আগামী দিনে তদন্ত শেষ হলে এই তালিকা সরাসরি কেন্দ্রীয স্বারাষ্ট্র মন্ত্রকের হাতে তুলে দেওয়া হবে বলে জানান৷ তবে তদন্তকারী অফিসারদের এক অংশের মতে মুম্বাইয়ের বিভিন্ন হোটেলে ব্যবহারিত বিস্ফোরক কিন্তু দাউদ সরবরাহ করেছিল৷ এর কারণ হিসাব উঠে এসেছে 1993 সালে মুম্বাই বিস্ফোরণে যে বিস্ফোরক ব্যবহার করা হয়েছিল তার সঙ্গে 26/11-এর সময়ে হোটেলে ব্যবহারিত বিস্ফোরকের মধ্যে যথেষ্ট মিল আছে৷ এই সূত্র ধরে দাউদের কোন যোগ আছে কিনা তার তদন্ত চলছে৷
তবে মুম্বাই কান্ডে অতন্ত এক ডজন পাকিস্তানের নাগরিক জড়িত বলে জানা গেছে৷ এর মধ্যে আছে লস্করের প্রধান, আজাহার মেহুমুদ, জারার শাহ সহ আর বেশ কয়েক জন পাকিস্তানের নাগরিক৷ এরা যে সক্রিয় ভাবে সন্ত্রাসের সঙ্গে জড়িত ছিল তার সম্পর্কে যথেষ্ট প্রামণ ইতিমধ্যে পাওয়া গেছে৷
দিল্লি দ্রুত তদন্ত শেষ করে এদের তালিকা পাকিস্তান সহ রাষ্ট্র সংঘের হাতে তুলে দেওয়ার পরিকল্পনা করেছে৷ পাকিস্তানের নাগরিকদের যে ভাবে হোক দিল্লিতে নিয়ে আসা এখন প্রধান লক্ষ্যে৷ তবে পাকিস্তান নিজেদের গোপন তথ্য ফাঁস হয়ে যাওয়ার ভযে কিন্তু কোন ভাবে তাদের নাগরিকদের দিল্লির হাতে তুলে দিতে নারাজ৷
সোমবার পাকিস্তানে এক সরকারি অনুষ্ঠানে এসে প্রধানমন্ত্রী গিলানি পরিস্কার জানিযে দিয়েছেন এখন পর্যন্ত দিল্লির থেকে পাওয়া তথ্য পাক গোয়েন্দা সংস্থা খুটিয়ে পরীক্ষা করছে৷ পাকিস্তানের কোন নাগরিক এর সঙ্গে কোন ভাবে জড়িত হলে তাদের বিরুদ্ধে উপযুক্ত ব্যবস্থা নেওয়া হবে৷
|