সমকামিতা নিয়ে ভারতীয় আইন সংশোধন করা হতে পারে বলে আগেই জানিয়ে ছিলেন কেন্দ্রীয় আইন মন্ত্রী বীরাপ্পা মৈলি৷ তার শেষ মূহুর্তে নিজের মত পরিবর্তন করেছিলেন মৈলি৷ তিনি সাংবাদিকদের জানিয়ে ছিলেন তার কথার ভুল ব্যাখ্যা করেছে সংবাদ মাধ্যম৷ সংবাদ মাধ্যমের ঘাড়ে নিজের মন্তব্যের দায় তুলে দিলেও দিল্লি হাইকোর্টের বৃহস্পতিবারের এক রায় কিন্তু সামাজিক প্রেক্ষাপট পরিবর্তনের বড় ইঙ্গিত দিয়ে গেল৷
দিল্লি হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি এ পি শাহ ও বিচারপতি এস মুরলিধর এক মালার রায় দিতে গিয়ে জানিয়েছেন প্রাপ্ত বয়্স্ক পুরুষ বা নারী যদি অপরের সম্মতি'তে সম্পর্ক স্থাপন করেন তাহলে আইনের ক্ষেত্রে কোন সমস্যা নেই৷ এই রায়ের খবরে কোর্টের চৌহাদি ছেড়ে বাইরে আসতে বিশেষ সময় লাগে নি৷
তার পরে দেশের চার মেট্রো সহ বেশ কিছু শহরে সমকামিরা রায় নিয়ে নিজের নিজের মতামত জানিয়েছেন৷ তারা এই রায়কে ঐতিহাসিক বলে জানিযে দিয়েছেন৷ পাশাপাশি কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে নতুন করে দাবি জানিয়েছেন ভারতীয় পিনাল কোডের 377 ধারা সংশোধনের জন্য৷ এখন এই আইনে সমকামিতা অপরাধ৷ তার জন্য জেলে পর্যন্ত হতে পারে৷
গে আন্দোলনের অন্যতম কর্মী নীতিন কার্নিক জানান তার দাবি নিয়ে আন্দোলন আগামী দিনে আরও বৃহতর হবে৷ পাশাপাশি দিল্লি হাইকোর্টকে শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেন এই রায় এক নতুণ দৃষ্টান্ত তৈরি করবে৷ বর্তমানে সমকামিতা নিয়ে যে আইন রয়েছে তা বহু পুরনো৷ সামাজিক প্রেক্ষাপটের বড় পরিবর্তন হয়েছে স্বাভাবিক ভাবে আইনের পরিবর্তন করা অত্যন্ত জরুরি৷
এদিকে সমাজ কর্মীরা এই আইন ও তার ব্যবহার নিয়ে দুই ভাগ হযে গিয়েছেন৷ যেখানে সমাজের এক অংশ আইনের পরিবর্তন চাইছেন৷ সেখানে অন্য অংশ আইনের বিরোধীতা করছেন৷ আগামী দিনে এই আইন নিয়ে জাতীয় স্তরে বির্তক হওয়ার সম্ভাবনা দেখা গিয়েছে৷
|