সমকামিতা নিয়ে দিল্লি হাইকোর্ট এক ঐতিহাসিক রায় দিলেও কেন্দ্রীয় সরকার সাবধানে সব বুঝে শুনে সিদ্ধান্ত নিতে চলেছেন৷ সমাকামিতা নিয়ে আইনমন্ত্রী প্রথম মন্তব্য করে বির্তকের সূত্রপাত করেছিলেন৷ তার পরে সমস্যা বুঝে নিজের মতামত পাল্টে তার মন্তব্য বিকৃতি করা হযেছে বলে সংবাদ মাধ্যমের ঘাড়ে দায় চাপিয়ে দিয়েছিলেন৷
সংবাদ মাধ্যমের ঘাড়ে দায় চাপিয়ে যে সমাজিক সমস্যা থেকে মুখ ঘুরিয়ে থাকা যাবে না তা দিল্লি হাইকোর্টের রায়ের পর পরিস্কার হয়ে গিয়েছে৷ শুক্রবার রেল বাজেটের পর নর্থ বল্কে নিজেদের মধ্যে সমাকামিতা নিয়ে সরকারের কি অবস্থান হবে ঠিক করতে বৈঠকে বসেছিলেন আইনমন্ত্রী বীরাপ্পা মৈলি, কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রী গুলাম নবি আজাদ, ও স্বারাষ্ট্রে মন্ত্রী পি চিদামবরম৷
বৈঠকে শেষ আলোচনা কি হলে তা নিয়ে সংবাদ মাধ্যমের সামনে মুখ খুলতে রাজি হন তিন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী৷ সকলেই জানিয়েছেন সরকার সমস্ত দিক খতিয়ে দেখে তবে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবে৷ কবের মধ্যে সমাকামিতা নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকার তার অবস্থান জানাবে তা জানা যায় নি৷ মনে করা হচ্ছে সরকার আইনজীবিদের সঙ্গে আলোচনা করে তবে সংবাদ মাধ্যমের কাছে মুখ খুলবেন৷ এই আইন পরিবর্তন যে আগামী দিনে রাজনীতি'কে সরগরম করে রাখবে তা কিন্তু পরিস্কার৷
এদিকে নর্থ বল্ক সূত্রে জানা গিয়েছে সরকার এক অংশ চাইছেন আইনের পরিবর্তন করে দিল্লি হাইকোর্টের রায অনুসারে চলতে৷ সেখানে এক অংশ কিন্তু ভিন্ন পথে চলার সিদ্ধান্ত নিয়েছে৷ এদিকে প্রায প্রতিদিন নতুন করে সমকামি আন্দোলন'কে স্বাগত জানাচ্ছেন সমাজের একাধিক ক্ষেত্রে বিশিষ্টজনেরা৷
একাধিক রাজনৈতিক দল কিন্তু খোলাখুলি ভাবে জানিয়ে দিয়েছেন সমকামিতা আইঅনের পরিবর্তনের চেষ্ঠা হলে তারা বিরোধ করবেন৷ এদের মধ্যেব সমাজবাদী দল ও সহ বেশ কিছু দল রয়েছে৷ ধর্মীয় নেতারা এই নিয়ে বিরোধ জানিয়েছেন৷ স্বারাষ্ট্র মন্ত্রী, স্বাস্থ্য মন্ত্রী ও আইন মন্ত্রী সমকামিতা আইন ও তার পরিবর্তন নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর কাছে আলাদা-আলাদ ভাবে তাদের রির্পোট জমা দেবেন৷ সেই রির্পোট হাতে পেলে তবেই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে বলে জানা গিয়েছে৷
|