কাশ্মীর সফর শেষ করে দিল্লি ফেরার আগে প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং আরও একবার পরিস্কার করে জানিয়ে দিলেন, কেন্দ্রীয় সরকার সন্ত্রাসের জবাব উন্নয়ন দিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন৷ সরাসরি উপত্যকার বিচ্ছিনতাবাদীদের উদ্দেশ্য বলেন, সরকারে আলোচনার দরজা খুলে দিয়েছে৷ এবার সকলের উচিত এগিয়ে এসে আলোচনা শুরু করা৷ উপত্যাকার বিচ্ছিনতাবাদীরা যে সরকারের সঙ্গে সহযোগিতা করবেন সে ব্যাপারে আশাবাদী প্রধানমন্ত্রী৷
প্রধানমন্ত্রী বলেন উপত্যকা'র উন্নয়নের জন্য সরকার ইতিমধ্যে বেশ কিছু পরিকল্পপনা গ্রহণ করেছে৷ তার মধ্যে রয়েছে কর্ম সংস্থান, যাতায়াত ব্যবস্থার উন্নয়ন, শিল্পকে নতুন করে গড়ে তোলা, পাশাপাশি কি শিল্প এখানে গঠন করা সম্ভব তার দ্রুত পরিকল্পনা ও রুপায়ন করা৷ সরকারের প্রকল্প বাসাবায়িত করার জন্য ইতিমধ্যে রাজ্য সরকার, ও রাজ্যের বাকি রাজনৈতিক দলের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে৷ সেই আলোচনা যে অত্যন্ত ফলপ্রসূ হয়েছে তা জানিয়ে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী৷
এবার উপত্যাকার বিছিনতাবাদীদের সঙ্গে আলোচনা করতে সরকার আগ্রহী বলে জানান৷ এই আলোচনা না হলে কিন্তু উপত্যকার সঠিক ভাবে উন্নয়ন সম্ভব নয় বলে মনে করেন প্রধানমন্ত্রী৷ কেন্দ্রের পক্ষ থেকে ইতিমধ্যে কাশ্মীর বিদ্র্যুত সমস্যা সমাধানে প্রতিদিন 500 মেগাওয়াট বাড়তি বিদ্যুত দেওয়ার কথা জানানো হয়েছে৷ ডাল লেকের উন্নয়নের জন্য 350 কোটি টাকার প্যাকেজ ঘোষণা করা হয়েছে৷ 150 কোটি টাকার প্যাকেজ ঘোষণা করা হযেছে বারামুলা, সপুর, পুঞ্ছুরের উন্নয়নের জন্য৷ এই কাজের তদারকি করার জন্য কেন্দ্রের মধ্যস্থতায় এক বিশেষ কমিটি গঠন করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে৷
এর পাশাপাশি রাজ্য সরকারের প্রশংসা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন ক্ষমতায় আসার প্রথম বছরে এখানে উন্নয়নের জন্য বেশ কিছু ইতিবাচক পদক্ষেপ নিয়েছে রাজ্য সরকার৷ রাজ্য প্রশাসনের উচিত গৃহীত প্রকল্প দ্রুত ও সময়ে শেষ করার ব্যাপারে জোর দেওয়া৷