পরিবেশ গত সমস্যা, দলের এক অংশের চাপ সঙ্গে হাইকোর্টে ও সুপ্রীম কোর্টের জুজুর সামনে এবার বাস নিয়ে নিজেদের আগের গোড়ামি ঝেড়ে ফেলে বেশ খানিকটা বাস্তববাদী অবস্থান নিল রাজ্য সরকার৷
রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে আগেই রাজ্যের পুরোন বাস মালিকদের কাছে এক বিঞ্জপ্তি জারি করে জানানো হয়েছিল কোর্টের নির্দেশ মত কোন ভাবেই আরও 15 বছরের বেশি পুরোন বাস রাস্তায় চলতে দেওয়া হবে না৷ যারা সরকারী সাহায্য নিয়ে তাদের বাস পরিবর্তন করতে আগ্রহী তাদের আবেদন করতে বলা হয়৷ কলকাতায় বিভিন্ন প্রান্তে চলা বেসরকারী বাসের মধ্যে ইতিমধ্যে 1287-টি বাস মালিক আবেদন করে সরকারের সহযোগিতা চেযেছে৷ বাকি 1200 বাস মালিক নির্ধারিত সময় হয়ে গেলেও তারা আবেদন করেন নি৷
রাজ্য পরিবহণ মন্ত্রী রঞ্জিত কুন্ড বলেন, সরকার দূষণ নিয়ন্ত্রণ করতে বদ্ধ পরিকর৷ তার জন্য আবেদনকারী সমস্থ বাসের ক্ষেত্রে সরকারী সিদ্ধান্ত অনুয়ায়ী টাকা দেওয়া হবে৷ তবে বাকি যে 1200 বাস আবেদন জানায় নি তাদের ক্ষেত্রে কিন্তু সরকার ধরে নিতে বাধ্য হবে তার আর এই ব্যবসা করতে আগ্রহী নয়৷ তার জন্য তাদের নির্ধারিত রুটের লাইসেন্স বাতিল করতে হবে৷ সমস্থ বাস মালিকদের নির্ধারিত ঠিকানায় রাজ্য পরিবহণ দপ্তরের পক্ষ থেকে চিঠি চলে গিয়েছে৷ আগামী 20-শে নভেম্বরের মধ্যে তাদের চিঠির উত্তর দিতে বলা হয়েছে৷ এদের যাদের উত্তর পাওয়া যাবে তাদের পুনরায় আবেদন করার জন্য সময় দেওয়া সম্ভব হলেও বাকিদের ক্ষেত্রে কঠোর অবস্থান গ্রহণ করবে রাজ্য পরিবহণ দপ্তর৷
এদিকে রাজ্যের দূষণ নিয়ে ব্যবস্থা নিতে মুম্বাইয়ের এক যন্ত্র সরবারাহকারী সংস্থার থেকে স্বয়ংক্রিয় এক যন্ত্র আমদানি করছে৷ যারা দিনে রাতে শরের নানা জায়গায় ঘুড়ে দূষণ পরিমাপ করবে৷ সেই যন্ত্রের গাড়ীর নম্বর সহ দূষণের নিদিষ্ট মাপ উঠে যাবে৷ পরে পরিবহণ দপ্তর সেই রির্পোট অনুসারে ব্যবস্থা গ্রহণ করবে৷ পাশাপাশি পুলিশ থাকবে কিছু গাড়ীর ক্ষেত্রে স্পট ফাইন করার জন্য৷