রাজ্যের উপনির্বাচন ঘিরে নতুন করে রাজ্যের নানা এলাকায় সি পি এম ও তৃনমূল কর্মীদের সংঘর্ষ প্রায নিয়মিত হয়ে দাড়াচ্ছে৷ প্রায় প্রতিক্ষেত্রে নিয়ম মাফিক থানায় এক অপরের বিরুদ্ধে এফ আই আর হলে পুলিশ কার্যত অবস্থা নিয়ন্ত্রণে আনতে ব্যর্থ৷ এদিকে বুধবার আমারবাগে মমতা সভাকে কেন্দ্রে করে উপ্তত হয়ে ওঠে প্রায় সমগ্র আরামাবাহ, খানাকুল সহ হুগলির বিস্তৃণ অংশ৷ কোথায় তৃণমূল সর্মথকরা সি পি এম পার্টি অফিসের সামনে রাখা সাইকেল, গাড়ী সহ নানা জিনিস ভেঙ্গে জ্বালিয়ে দিচ্ছে৷ আবার কোথাও তৃণমূল সর্মথকদের উপরে চড়াও হচ্ছে সি পি এম৷ এর সঙ্গে পাল্লা দিয়ে সি পি এম ও তৃণমূল একে অপরের বিরুদ্ধে মাওবাদীদের ব্যবহার করার অভিযোগ করছেন৷
এই দ্বিচারিতায় পরোক্ষ ভাবে মাওবাদীর রাজনীতি মূলশ্রোতে নিয়ে আসছে৷ সব পক্ষের অভিযোগ মাওবাদীদের বিপক্ষ শিবিরের লোক৷ আরামবাগে সভা শেষ করে ফেরার মতে তৃণমূল নেত্রী বলেন, এখানে মাওবাদীদের নামে সাধারণ মানুষের উপরে অত্যচার চালাচ্ছে সি পি এম৷ তারা এবার সাধারণ মানুষকে ভীত ও সন্ত্রশ করতে মাওবাদী নাম নিয়ে হামলা চালাচ্ছে৷ সাধারণ মানুষের পাশাপাশি বিরোধী দলের লোকদের পরিকল্পিত ভাবে খুব করা হচ্ছে৷
তৃণমূল নেত্রী জানিয়েছেন রাজ্যের মাওবাদীর যে সি পি এম ছত্রছায়াতে রয়েছে তার প্রমাণ তাদের হাতে রয়েছে৷ নেপালের মাওবাদীদের সঙ্গে এই রাজ্যের সি পি এম নেতৃত্বের অত্যন্ত ভালো যোগাযোগ রয়েছে৷ তা উভয় দেশের নেতারা স্বীকার করেন৷ নেপালের মাওবাদীরা স্বীকার করে নিয়েছেন তার সরাসরি এই দেশের মাওবাদীদের সাহায্য করেন৷ এর থেকে পরিস্কার নেপালের মাওবাদীদের সাহায্য নিয়ে রাজ্য সরকার বিরোধীদের খুন করার চক্তান্ত করেছেন৷
এদিকে সি পি এমে দাবি রাজ্যে আচমকা মাওবাদীর প্রভাব বৃদ্ধির পেছনে রয়েছেন তৃণমূল নেত্রী৷ মাওবাদীদের সামনে রেখে হিংসার রাজনীতিতে করছে তৃণমূল৷ কলকাতায় এক শীর্ষ সি পি এম নেতা বলেন, মমতা যে মাওবাদীদের সঙ্গে একাধিকবার বৈঠকে করেছে তা রাজ্যের গোয়েন্দাদের কাছে খবর রয়েছে৷