চার দিনের সফরে মার্কিন মুলুকে গেলেন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং৷ মার্কিন মুলুকে ওবামা প্রেসিডেন্ট হিসাবে দায়িত্ব নেওয়ার পরে এটাই প্রধানমন্ত্রী প্রথম সফর৷ এর আগে জি-20 সহ একাধিক আন্তর্জাতিক মঞ্চে প্রধানমন্ত্রী ও ওবামা মুখোমুখি হলেও এই সফরে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে উভয় দেশে৷ দিল্লির পাশাপাশি পাকিস্তান ও বেজিং সফরের দিকে তীক্ষ্ণ নজর রাখছে৷
আমেরিকার প্রেসিডেন্ট তার সাম্প্রতিক এশিয়া সফরে এসে বেজিং'এ চিনের প্রিমিয়ারের সঙ্গে বৈঠকে যে ভাবে কাশ্মীর নিয়ে মধ্যস্থতা করার কথা বলেছেন তা নিয়ে বিরক্ত দিল্লি৷ প্রধানমন্ত্রী কার্যলয় সূত্রে খরব ওবামা'কে প্রধানমন্ত্রী পরিস্কার করে দেবেন কোন ভাবেই কিন্তু কাশ্মীর নিয়ে কোন তৃতীয় পক্ষের মধ্যস্থতা মেনে নেবে না দিল্লি৷ পাশাপাশি চিনের সঙ্গে তিব্বত ও অরুণাচল নিয়ে সমস্যার কথা আলোচনায় উঠে আসতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে৷
এদিকে প্রধানমন্ত্রী ওয়াশিংটনের উদ্দেশ্য রওনা হওয়ার আগে পি এম ও থেকে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে যে সকল বিষয়কে বেশি গুরুত্বপূর্ন বলে ব্যাখ্যা করা হযেছে সেই তালিকায় রয়েছে, ভারত-মার্কিন দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক, অসামরিক প্রয়োজনে ব্যবহার যোগ্য পরমানু চুক্তির ক্ষেত্রে যে সামান্য আনুষ্ঠানিকতা বাকি রযেছে তা সম্পূর্ন করা, বিশ্ব জুড়ে আবহওয়ার পরিবর্তন, আর্থিক মন্দা সামাল দেওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ, ভারত-মার্কিন বাণিজ্য সহ সারা বিশ্বে সন্ত্রাসবাদ নিয়ন্ত্রণ করা৷
এর সঙ্গে আলোচনায় জায়গা করে নিতে পারে আফগানিস্তান সম্পর্কে ভারতের নীতি আফগানিস্তানে ভারতের ভূমিকাকে বিশেষ গুরুত্বপূর্ন মনে করছে আমেরিকা৷ স্বাভাবিক ভাবে মার্কিন প্রশাসনের আফগান নীতি সরকারী ভাবে ঘোষণা করার আগে একবার প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা করতে পারেন বলে মনে করা হচ্ছে৷
পাক মাটি ব্যবহার করে যে ভাবে ভারত বিরোধী কার্যকলাপ এখন অব্যহত তা নিয়ে দিল্লি যে বিশেষ ভাবে উদ্ধিগ্ন তা নিয়ে কথা বলতে পারেন দুই শীর্ষ নেতা৷ এদিকে মার্কিন মুলুকে ও ইটালিতে ধরা পরা একাধিক ব্যক্তি যে 26/11 ঘটনার সঙ্গে যুক্ত তাদের কি ভাবে দিল্লিতে নিয়ে আসা সম্ভব৷ পাশাপাশি সন্ত্রাস সমস্যার মোকাবিলায় আরও গঠনমূলক নীতি গ্রহণ করা হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে৷