মুখ্য পৃষ্ঠা >  ধর্ম > আস্থা অথবা অন্ধবিশ্বাস > নিবন্ধ
পরামর্শ বা প্রতিক্রিয়ামিত্রকে পাঠানএই পৃষ্ঠা প্রিন্ট করুন
 
মানব জীবনে গ্রহের প্রভাব
WDWD
ভারতের অধিকাংশ মানুষই জ্যোতিষ শাস্ত্র মানেন৷ কোন নতুন ব্যবসা শুরু করার আগে বা বিয়ের ব্যাপারে কোন সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে সকলেই জ্যোতিষের পরামর্শ নিতে ভোলেন না৷ আমাদের জীবনে এই গ্রহদের প্রভাব লক্ষ্য করা যায়৷ আস্থা এবং অন্ধবিশ্বাসের এই পর্বে আমরা আপনাদের এই গ্রহ নক্ষত্রের সম্বন্ধে বলব৷ সারা বছরই আমাদের জীবনে এই গ্রহদের প্রভাব থাকে৷

16ই নভেম্বর একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা ঘটেছে৷ গ্রহরাজ বৃহস্পতি এক বছর ধরে বৃশ্চিক রাশিতে অধিষ্ঠান করছিলেন৷ 16ই নভেম্বর বৃহস্পতি ধনু রাশিতে প্রবেশ করেছে৷ এই দিন সকাল 4 টে বেজে 24 মিনিট থেকে সারা দিন পর্যন্ত তামিলনাডুতে অসংখ্য ভক্ত ভগবানের সান্নিধ্য অর্থাত গুরুর সান্নিধ্য লাভ করার জন্য সমবেত হন এবং ভগবানের কাছে প্রার্থনা করেন
WDWD


তামিলনাডুতে ভগবান গুরুর সন্নাধির অনেক মন্দির আছে৷ কিন্তু তাঞ্জাপুর জেলায় আলনগুড়ি নামক স্থানটির বিশেষ মাহাত্ব আছে৷ ভগবান শিবের এই মন্দিরটিতে ভগবান গুরু প্রার্থনা করে ক্ষেত্রম লাভ করেছিলেন৷ গুরু পায়ারচীর উত্সবের সময় এই মন্দিরে হাজার হাজার ভক্তরা আসেন৷ এছাড়া অন্য মন্দির গুলোতেও ভগবান গুরুর পূজা অর্চনার বিশেষ ব্যবস্থা করা হয়৷

আমাদের রাশিতে অনেক গ্রহই রয়েছে কিন্তু বৃহস্পতি এবং শনিকে বেশী গুরুত্ব কেন দেওয়া হয়? এই প্রসঙ্গে জ্যোতিষ কে পি বিদ্যাধরন বলেছেন যে সব গ্রহদের মধ্যে গুরু হল শুভ গ্রহ৷ প্রত্যেক বছর গুরু এক রাশি আর এক রাশিতে প্রবেশ করে৷ এই বার গুরু বৃশ্চিক থেকে ধনু রাশিতে প্রবেশ করেছে৷ গুরুর এই বিচরনের পর্বে লাখ লাখ ভক্ত আলন গুড়ি, থেনথিরুথিট্টই, থিরুচেন্দুর প্রভৃতি জায়্গার প্রসিদ্ধ মন্দিরগুলোতে যান৷ কেউ গুরুর কাছে ভাল সময় যাতে বজায় থাকে সেই প্রার্থনা করেন৷ আবার কেউ খারাপ সময় যাতে তাড়াতাড়ি কেটে যায় সেই প্রার্থনা করেন৷
WDWD


WDWD
বৈদিক যুগ থেকেই জ্যোতিষশাস্ত্র আমাদের সংস্কৃতির অঙ্গ হিসাবে পরিগনিত হয়েছে৷ আমাদের পূর্বপুরুষরা সৌরমন্ডল সম্পর্কে অনেক কিছু জানতেন৷ শুধু তাই নয় গ্রহদের নাম অনুসারে তারা গ্রহদের লক্ষন নির্ধারিত করেছিলেন৷ কিন্তু সব মানুষ জ্যোতিষ শাস্ত্রকে মানেন না৷ যারা বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে দেখেন তারা জ্যোতিষ শাস্ত্রকে একেবারেই মানেন না৷ তারা এটাকে অন্ধবিশ্বাস বলে মনে করেন৷ তারা মনে করেন ব্যক্তি তাঁর কর্মের দ্বারা নিজের ভাগ্য নিজেই তৈরী করে৷ তারা মনে করেন জীবনে এগিয়ে যাওয়া উচিত৷ যদি জীবনে চলার পথে কোন রকম বাধা বিপত্তি আসে সেই বাধা বিপত্তিকে কাটিয়ে এগিয়ে চলার নামই জীবন৷

বৈজ্ঞানিকরা যাই বলুক না কেন লাখ লাখ মানুষ জ্যোতিষ শাস্ত্রকে মানেন৷ জীবনের যে কোন বড় সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে জ্যোতিষের পরামর্শ গ্রহন করেন৷ জ্যোতিষের পরামর্শ অনুয়ায়ী পাথরও ধারন করেন৷ প্রবাদ আছে না বিশ্বাসে মিলায় বস্তু তর্কে বহু দূর৷ আপনারা কি মনে করেন জ্যোতিষ শাস্ত্রকে কি মানা উচিত? আমাদের অবশ্যই জানান৷
ভিডিও দেখুন
অতিরিক্ত
এক কিংবদন্তী শহর উজ্জয়ন  
ত্রিশূল দিয়ে করেন অপারেশন  
ভগবান চাকু দিয়ে অপারেশন করেন  
ঝাবুয়া আদিবাসীদের গরু গৌরী উত্সব  
আধুনিক যুগের অগ্নিযুদ্ধ  
আস্থার অন্ধ জোয়ার