আস্থা ও অন্ধবিশ্বাসের এই বারের পর্বে আমরা আপনাদের পণ্ডোখর ধামের 1008 শ্রী গুরুশরন মহারাজের সঙ্গে পরিচিত করব৷ গুরুশরন মহারাজ দৃঢতার সঙ্গে বলেন যে শারীরিকভাবে বিকলাঙ্গ যে কোন রোগীকে তিনি সম্পূর্ন ভাবে সুস্থ করে দিতে পারেন৷ মহারাজের এই কথা শোনার পর আমরা পণ্ডোখর মহারাজের দরবারে যাই৷
বুন্ডেলখন্ডের একটি ছোট গ্রাম হল পন্ডোখর৷ আর এই গ্রামেই বাবার অধিষ্ঠান৷ বাবা তাঁর শিষ্যদের নিয়ে ভারতের বিভিন্ন শহরে যান৷ এইবারে তিনি মধ্যপ্রদেশের আর্থিক রাজধানী ইন্দোরে এসেছিলেন৷ বাবার দরবারে প্রচুর বিকলাঙ্গ রোগীরা এসেছিল৷ বাবা এই রোগীদের অনেক প্রশ্নই করেন৷ প্রশ্নের উত্তর জানার পর বাবা রোগীদের একটা কাগজ দেখান৷ কাগজে প্রথমেই কিছু লিখে রাখা ছিল৷ বাবা রোগীদের বললেন যে তাদের সম্বন্ধে তিনি প্রথম থেকেই সব কিছু জানেন৷ এরপর বাবা রোগীদের হাঁটতে বলেন৷
আমাদের সামনেই উত্তেজনা বশত অনেক রোগীই চলতে শুরু করেন৷ আবার কেউ মাটিতে পড়ে যান৷ বাবা দৃঢতার সঙ্গে বলেন যে পণ্ডোখর হনুমানজীর কৃপায় সব রোগীরা খুব তাড়াতাড়ি ঠিক হয়ে যাবেন৷ তবে বাবার কাছে রোগীদের চার থেকে পাঁচটা আমাবস্যা আসতে হয়৷ রোগীদের মাঝখানে এক ব্যক্তি ফুল মালা নিয়ে মঞ্চের উপর উঠে দাঁড়ান৷ রামভাব রাজোরিয়া নামে ঐ ব্যক্তি দৃঢতার সঙ্গে বলেন যে প্রথমে তিনি চলাফেরা করতে পারতেন না৷ কিন্তু তিনি যখন বাবার দরবারে আসেন বাবা তাঁকে লাঠি ছেড়ে দিয়ে এমনি হাঁটতে বলেন৷ আর তারপর থেকেই তিনি হাঁটতে শুরু করেছেন৷
প্রথমে তিনি হাঁটতে গিয়ে একটু বেসামাল হয়ে যেতেন৷ কিন্তু এখন তিনি ভালভাবে চলতে পারেন৷ বাবা তাঁর সব শিষ্যদের রক্ষাসূত্র পরানোর জন্য চার থেকে পাঁচটা আমাবস্যা তাঁর কাছে আসতে বলেন৷ বাবা বলেন ঠিক হওয়ার জন্য এতবারই তাঁর দরবারে আসা জরুরী৷ বাবা যতই বলুন না কেন ডাক্তাররা বাবার এই চিকিত্সা পদ্ধতিকে একেবারেই বিশ্বাস করেন না৷
অর্থোসার্জেন ডাঃ জয়েশ শাহ ওয়েবদুনিয়াকে বাবা সম্বন্ধে জানান অনেকবার উত্তেজনা বশত ব্যক্তিরা দাঁড়িয়ে পড়ে৷ আবার কিছু কদম হাঁটতেও শুরু করে৷ কিন্তু এর পরিণাম ভাল হয় না৷ যদি পিঠের হাড়ের উপর প্রয়োজনের বেশী চাপ পড়ে তাহলে সেই ব্যক্তি সারা জীবনের জন্য পঙ্গু হয়ে যায়৷ অনেক সময় অনেক মানসিক রোগীরা মানসিক সমস্যার দরুন নিজেদের পঙ্গু বলে মনে করেন তারাও অনেক সময় উত্তেজনা বশত ঠিক হয়ে যান৷ কিন্তু হাজার রোগীর মধ্যে একজন হয়্ত এই ভাবে ঠিক হন৷
ডাক্তাররা তো ববার চিকিত্সাকে বিশ্বাস করছেন না৷ আপনারা কি ভাবছেন? আপনাদের মতামত আমাদের অবশ্যই জানাবেন৷
|