সনাতন ধর্ম অনুসারে ভগবান বিষ্ণু হলেন পাপনাশকারী ও মোক্ষ প্রদানকারী দেবতা৷ যখনই পৃথিবীতে অসুর এবং রাক্ষসেরা তান্ডব চালিয়েছে তখনই ভগবান বিষ্ণু বিভিন্ন রুপে পৃথিবীতে এসে তাদের দমন করেছেন৷ ভগবান বিষ্ণু 23 টি রুপ ধারন করেছেন৷
এর মধ্যে সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ হল শ্রীকৃষ্ণের রুপটি৷ শ্রী কৃষ্ণের রুপে জন্ম নিয়ে তিনি পৃথিবী থেকে অধর্মকে নাশ করে সেই স্থানে ধর্মকে স্থাপন করেছেন৷ সমস্ত দেবতাদের মধ্যে শ্রী কৃষ্ণ হলেন এমন দেবতা যার মধ্যে ষোল রকমের গুনই বর্তমান ছিল৷ কৃষ্ণের জন্মের একটাই উদ্দেশ্য ছিল সেটা হল পৃথিবী থেকে পাপের বিনাশ করা৷
এই উদ্দেশ্যকে পূর্ণ করার জন্য তিনি যা করনীয় ছিল তাই করেছেন৷ তিনি কর্মকে সবথেকে অধিক গুরুত্ব দিয়েছেন৷ কুরুক্ষেত্রের যুদ্ধে তিনি অর্জুনকে সাহায্য করবার সময় গীতা রচনা করেছেন৷ পরে তা হিন্দুদের ধর্মগ্রন্থে পরিনত হয়েছে৷ ভগবান দেখেছিলেন সমগ্র বিশ্ব শুন্যময়৷ কোথাও কোন জীব জন্তুর ছায়া মাত্র নেই৷
সর্বত্র মূর্তি,ধাতু,শস্য এবং তৃণ ভূমির আকাল পড়েছিল৷ এই রকম অবস্থায় ভগবান নিজে সৃষ্টিকে নির্মান করেন৷ সর্বপ্রথমে পরম পুরুষ শ্রীকৃষ্ণের দক্ষিন দিকে তিন গুন প্রকট হয়েছিল৷ এরপর শ্রী কৃষ্ণের থেকে সাক্ষাত নারায়নের প্রাদুর্ভাব হয়েছিল৷
যার গায়ের রঙ ছিল শ্যামলা, বাহু ছিল চারটি এবং চারটি বাহুর প্রত্যেকটিতে শঙ্খ, চক্র, গদা এবং পদ্ম বিরাজমান ছিল৷ নারায়ন ভগবান শ্রী কৃষ্ণের সামনে দাড়িয়ে দুই হাত জোড় করে কৃষ্ণের স্তুতি পাঠ করেন৷ তাই কৃষ্ণের পূজো করলে সব দেবতার পূজো হয়ে যায়৷
|