ভগবান কৃষ্ণের জন্ম লাভ কংসের বিনাশকে ঘনিয়ে নিয়ে আসে৷ এর আভাস কংস পূর্বেই পেয়েছিলেন৷ তাই কৃষ্ণকে বধ করার উদ্দেশ্যে কংস অনেক প্রচেষ্টা করেন৷
প্রত্যেকবারই তাঁর প্রয়াস ব্যর্থ হয়৷ কৃষ্ণের জন্মকুন্ডলী তৈরী করার পর বিধান অনুযায়ী যশোধা গ্রামের অন্য সব মহিলাদের ডেকে মঙ্গলের জন্য পূজোপাঠ করেন৷ যশোধা শ্যামলা বর্নের কৃষ্ণকে লাল রঙের বস্ত্র পরান৷ দেহে সোনার গয়নার সাথে চোখে কাজল এবং গলায় চন্দ্রহার পরান৷
তারপর যশোধা সমস্ত দেবতাদের উদ্দেশ্যে প্রনাম করে ব্রাক্ষনদের অর্থদান করেন৷ এরপর কৃষ্ণকে দোলনায় শুইয়ে দিয়ে এই মঙ্গল পূজোতে গ্রামের যে সমস্ত মহিলারা এসেছিলেন তাদের আতিথেয়তা করেন৷ যশোধা যখন আতিথেয়তায় ব্যস্ত ছিলেন তখন উত্কচ রাক্ষস ওখানে প্রবেশ করে৷
নিজের রুপ পরিবর্তন করে সেই রাক্ষস দুধের হাড়ী যেখানে ঝোলানো ছিল সেখানে বসে পড়েন৷ কৃষ্ণের মাথায় যে দন্ডটিতে দুধের হাড়িটি ঝুলছিল সেই দন্ডটিকে ফেলার চেষ্টা করেন৷ কৃষ্ণ তখন কাঁদতে কাঁদতে পা দিয়ে ঐ দন্ডটির মধ্যে প্রহার করেন৷ যার ফলে ঐ দন্ডের উপর বসা দৈত্যটি নীচে পড়ে যায়৷ যশোধা নন্দন সুরক্ষিত থাকেন৷
|