মুখ্য পৃষ্ঠা   ধর্ম  হিন্দু  তীর্থক্ষেত্র
 
মদমহেশ্বর
শিলাদিত্য ভাদুড়ী
মদমহেশ্বর, পঞ্চকেদারের মধ্যে অন্যতম কেদার৷ এই কেদারে মহাদেবের মধুময় রূপ দারুন ভাবে লক্ষ্যনীয়৷ মদমহেশ্বর হিন্দু তথা সারা ভারতীয়দের কাছে এক অত্যন্ত জনপ্রিয় তীর্থস্থান৷ সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় 3290 মিটার উঁচুতে অবস্থিত এই মদমহেশ্বর৷ এই তীর্থস্থানে আসতে হ্য় পায়ে হেঁটে৷ এই পথে কোনো ঘোড়া বা ডুলি পাওয়া যায় না৷ শান্ত ছায়া ঘেরা ভুজ, পাইনের জঙ্গলের মধ্যে দিয়ে পথ অতিক্রম করে পৌঁচ্ছান যায় মদমহেশ্বর৷

মদমহেশ্বর থেকে মাত্র 2-2.5 কিলোমিটার উপরে উঠে যাওয়া যায় আদি বা বুড়ো মদমহেশ্বরে৷ বুড়ো মদমহেশ্বরেই শিবের নাভি পাওয়া যায়৷ পান্ডবেরা তাদের মন্দির এখানেই স্থাপন করেন৷ কুরুক্ষেত্রে পরিবারবর্গকে হারিয়ে পান্ডবেরা মহাদেবের শরণাপন্য হলে মহাদেব নন্দী নামক এক ষাঁড় রূপে মর্তে প্রবেশ করেন৷ তখনই তার নাভি এসে পরে মদমহেশ্বরে৷ এই মন্দিরের পাশে ছোটো ছোটো আরও কয়েকটি মন্দির আছে, তার মধ্যে কালি মন্দির বিশেষভাবে খ্যাত৷

এই মন্দিরের ভেতরে প্রায় একমিটার উচ্চতার একটি হর-গৌরির একটি মূর্তি বর্তমান৷ বুড়ো মদমহেশ্বর থেকে দেখা যায় একেবারে হাত বাড়ানো দূরত্বে চৌখাম্বা শৃঙ্গ৷ এখান থেকে শুধু চৌখাম্বা শৃঙ্গ নয়, এখান থেকেই দর্শন করা যায় নীলকন্ঠ ও কেদারনাথ শৃঙ্গকে৷ পঞ্চকেদার তীর্থযাত্রার মধ্যে এই পথে সৌন্দর্য সবথেকে বেশি৷ এই মন্দিরের দোওয়ালে পৌরাণিক কাহিনী চিত্র বর্ণিত রয়েছে৷ এখান থেকেই উত্পত্তি হয়েছে মদমহেশ্বর নদীর৷ শীতের সময়ে রুপোর শিবমূর্তি মন্দির থেকে সরিয়ে নিয়ে এসে উখিমঠে আনা হয় এবং সেখানে প্রায় ছ্য় মাস মুর্তি থাকে৷ যেখানে মূর্তি নামিয়ে আনা হয় এই স্থানটি হল সরস্বতী কুন্ড৷
অতিরিক্ত
কল্পেশ্বর
শ্রী বদ্রীনাথধাম
তারাপীঠ দর্শন
মহাতীর্থ অমরনাথ