তুঙ্গনাথ হলো শিবের আর একটি জ্যোতিরলিঙ্গ৷ পঞ্চকেদারের আরও একটি কেদার৷ প্রায় 3700 মিটার উঁচুতে অবস্থিত তুঙ্গনাথ৷ এই তুঙ্গনাথে পাওয়া যায় শিবের তথা নন্দী নামক ষাঁড়ের হাত বা বাহু৷ এর পরই এখানে গড়ে ওঠে মহাদেবের মন্দির৷ এই মন্দিরের গর্ভগৃহে শিবের একটি লিঙ্গ অর্থাত নন্দীর একটি মূর্তি স্থাপিত আছে৷ মন্দিরের ভেতরে শিব লিঙ্গের পাশেই আদি গুরু শঙ্করাচার্যের একটি মূর্তি রয়েছে৷
এই মন্দিরের অনতি দূরেই রয়েছে আকাশ গঙ্গা জলপ্রপাত ও নন্দাদেবীর মন্দির৷ আকাশগঙ্গার উত্পত্তি এই তুঙ্গনাথ থেকেই৷ তুঙ্গনাথ মন্দির থেকে আরো 3-4 কিলোমিটার উপরে উঠলে পৌঁছন যায় চন্দ্রশিলায়৷ এই চন্দ্রশিলায়া থেকেই দেখতে পাওয়া যায় গাড়োয়াল দেবভূমির প্যানরামিক ভিউ৷ চোখে পরে নন্দাদেবী, ধওলাগিরী, নীলকন্ঠ, কেদারনাথ, বান্দরপুণ্ছ প্রভৃতি নামীদামী শৃঙ্গগুলি৷
তুঙ্গনাথে তীর্থযাত্রা বর্তমানে খুব সহযেই করা যায়৷ চোপতা থেকে মাত্র 3 কোলোমিটার চড়াই পথ৷ এপথে যাওয়ার জন্য ঘোড়া বা ডুলির সাহায্য নেওয়া যেতে পারে৷ পঞ্চকেদারের মধ্যে তুঙ্গনাথ মন্দিরই সবথেকে উঁচুতে অবস্থিত৷ এই মন্দিরের দেওয়ালে পৌরাণিক চিত্র তেমন ভাবে না থাকলেও ভীষন রূপে পুরাণের সাক্ষ্য বয়ে চলে৷ এই সব তথ্যকেই বছরের পর বছর পাইন, রডডেনড্রনের জঙ্গল রক্ষা করে চলেছে৷
|