মথুরা থেকে চার পাঁচ মাইল দূরত্বে অবস্থিত মধুবন অঞ্চলটিতে মহোলী নামে একটি গ্রাম আছে৷ এখানে মহারাজা শত্রুঘ্ন মধুদৈত্যকে বধ করে মধুপুরী নির্মান করেছিলেন৷
পরে এই গ্রামটি মথুরা নামে পরিচিতি লাভ করে৷ মহোলী থেকে কিছু দূরত্বে তালবন নামে একটি জায়গা আছে৷ যেখানে ভগবান বলরাম ধেনকাসুরকে বধ করেছিলেন৷ এর থেকে কিছুটা এগিয়ে গিয়ে কুমুদবনে শান্তনু আর বলদেবের মন্দির আছে৷
দূর দূর থেকে ভক্তরা সন্তান লাভের আশা নিয়ে এই শান্তনু কুন্ডে স্নান করতে আসেন৷ এছাড়া এখানে কৃষ্ণকুন্ড ও বহুলগায়ের মন্দির আছে৷ এই বহুলগায়ের মন্দির থেকে কিছুটা এগিয়ে গিয়ে রাধাকুন্ড ও কৃষ্ণকুন্ড আছে৷ এই কৃষ্ণ কুন্ডের বিশেষত্ব হল ভগবান শ্রীকৃষ্ণ যখন অরিষ্টাসুরকে বধ করেছিলেন তখন সমস্ত গোপীনিরা ভগবানকে বলেন যে প্রভু ষাড়কে হত্যা করে আপনি পাপ করেছেন৷
কোন তীর্থস্থানে স্নান করে আপনাকে শুদ্ধ হতে হবে৷ এরপর রাধা এবং শ্রীকৃষ্ণ নিজের হাতে মাটি কেটে জল বার করে স্নান করেন৷ এইভাবেই এই দুই কুন্ডের সৃষ্টি হয়৷ যে স্থানে অরিষ্ঠাসুর মারা গিয়েছিলেন বর্তমানে সেই স্থানটিকে অন্ডীগ বলা হয়৷ রাধাকুন্ডে অনেক বাঙালী সন্ন্যাসীরা থাকেন৷এছাড়া এখানে বিষ্ণুস্বামী সম্প্রদায়ের মহন্ত প্রয়াগদত্তজীর ধর্মশালা আছে৷
|