মুখ্য পৃষ্ঠা >  ধর্ম > হিন্দু > তীর্থক্ষেত্র
পরামর্শ বা প্রতিক্রিয়ামিত্রকে পাঠানএই পৃষ্ঠা প্রিন্ট করুন
 
তীর্থস্থান মথুরা
হিন্দুদের ধর্মগ্রন্থে মথুরার মাহাত্ব প্রকাশ করা হয়েছে৷ অথর্ববেদে গোপালতাপনীতে বলা হয়েছে যে ব্রক্ষ্ণজ্ঞান এবং ভক্তিকে পাওয়ার জন্য সারা জগত চেষ্টা করে সেইসব জ্ঞান ও ভক্তি যে স্থানে সব সময় বিরাজ করে তা হল মথুরা৷

পদ্মপুরাণে ভগবান বিষ্ণু বলেছেন যে দুষ্ট সম্প্রদায় অর্থাত্ত্ত দানব কুল জানে না মথুরা নগরীর মহিমা৷ মথুরায় সুরেন্দ্র, নাগেন্দ্র, ও মুনিন্দ্ররা মিলে ভগবানের সাধনা করেছেন৷ এরা তিনজনই আমার স্বরুপ৷

মথুরার চারপাশে অনেক শিব মন্দির আছে৷ এর পশ্চিমে আছে ভুতেশ্বরের মন্দির, পূর্বে আছে পিঘলেশ্বরের মন্দির, দক্ষিনে আছে রঙ্গেশ্বরের মন্দির আর উত্তরে আছে গোকর্ণাশ্বরের মন্দির৷ ভগবান শ্রীকৃষ্ণের প্রোপৌত্র বজ্রনাভ মথুরাতে শ্রীকেশব দেবতার মূর্তি স্থাপন করেছিল৷ কিন্তু মুঘল সম্রাট আওরঙ্গজেব ঐ মন্দিরটিকে ভেঙে ওখানে একটি মসজিদ নির্মান করেন৷

পরে ঐ মসজিদের পিছনে কেশবজীর আরেকটি মন্দির নির্মান করা হয়৷ এছাড়া এখানে কংকালীদেবীর মন্দির আছে৷ কংকালীদেবী হলেন দেবকীর কন্যা৷ যাকে কংস বধ করতে চেয়েছিলেন৷ কিন্তু দেবী কংসের হাত থেকে দৈবিক বলে আকাশে গমন করেছিলেন৷ মথুরাতেই ভগবান শ্রীকৃষ্ণের জন্ম হয়েছিল৷

এখানে কৃষ্ণের মাতাপিতা দেবকী ও বাসুদেবের মূর্তি আছে৷ মথুরাতে বিশ্রাম ঘাট বলে একটি স্থান আছে৷ কথিত আছে কংসকে বধ করার পর ভগবান শ্রীকৃষ্ণ এখানে বিশ্রাম নিয়েছিলেন তারপর থেকেই এই অঞ্চলটির নাম হয়েছে বিশ্রাম ঘাট৷ এছাড়া এখানে অষ্টভুজী গোপালের মূর্তি আছে৷ এই মূর্তিটির মধ্যে ভগবান কৃষ্ণের চব্বিশটি রুপকে একসাথে নির্মান করা হয়েছে৷ রামনবমীর সময় এখানে মেলা হয়৷ প্রত্যেক একাদশী ও অক্ষয় নবমীতে মথুরা যাত্রা শুরু হয়৷
অতিরিক্ত
ব্রজভূমি
মধুবন
বৃন্দাবন ধাম
কাশী বিশ্বনাথ মন্দির, বেণারস
যমুনেত্রী
গঙ্গোত্রী