মহাবীর তার নিজের জীবন সত্যকে প্রধান্য দিয়েছিলেন৷ এই সত্যের বিষয়ে তার মন্তব্য হল-
1. পুরিস্সা সচ্চমেব সমভিজাণহি৷ সচ্চস্স আণাএ সে উবটিটএ মেহাবী মংর তরহ৷
এই স্লোকটির অর্থ হল খুবই সুন্দর৷ মহাবীরজী মনে করতেন পুরুষকে তার জীবনে সবথেকে বেশী সত্যকে মানা উচিত৷ যারা সত্যকে সারা জীবন ন্যায় নিষ্ঠার দ্বারা মেনে চলে তারা হল প্রকৃত বুদ্ধিমান ব্যাক্তি৷ সেই মানুষ তার জীবনে মৃত্যূর মতন পরিনতিকেও সহজে মেনে নিতে পারবে৷
2. অপ্পাণট্টা পরট্টা বা কোহা বা জই বা ভয়৷ হিংসগগং ন মুখং বুয়া নো বি অন্নং বযাবএ৷
এই মহাপুরুষের মতে কোনো ব্যাক্তির কোনো সময়েই মিথ্যা কথা বলা একেবারেই উচিত নয় তাতে যত লাভের সম্ভাবনা থাকুগ না কেন৷ আর অন্যের ব্যাক্তিগত লাভের জন্যেও মিথ্যা কথা বলতে সাহায্য করা উচিত নয়৷ কখনো রাগের স্বীকার হলেও যেন মুখ থেকে মিথ্যা কথা না বেড়োয়৷ তাছাড়া কোনো প্রকার ভয়ের ফলেও মিথ্যাকে বল উচিত নয়৷ কোনো মানুষের অপর কে কষ্ট দেওয়া উচিত নয় আর তার জন্যে মিথ্যা বলা একেবারে উচিত নয়৷ তাছাড়া অন্য কাউকে মিথ্যে বলতে বাড়ন করা উচিত৷
3. মুহুত্তদুখ্য উ হবংতি কংটয়া, অওমযা তে বি তও সুউল্দ্ররা৷ বাযা দুরুত্তাঢি দুরুল্দ্ররাণি, বেরপুবন্ধাণি মহব্ভযাণি৷
মহাবীরজীর মতে লোহার কাটা যদি কোনো সময়ে দিক পরিবর্তন করে তাহল কিছুক্ষনের জন্যে দুঃখের সৃষ্টি হতে পাড়ে৷ কিন্তুতা সহজ উপায়েতে কেটে যাবে৷ কিন্তু কারুর খারাপ মন্তব্য যদি কারুর মনকে বিদ্ধ করে থাকে তাহলে তাকে সেই জায়্গা থেকে তাকে অপসারন করে স্বাভাবিক করা খুব কঠিন কাজ৷ এর স্থয়িত্ব বছরের পর বছর ধরে থেকে যায় যেটা মনে ভয়ের কারন সৃষ্টি করতে পারে৷
4. তহেব কাণং কাণে ত্তি পংডগং পংডগে ত্তি বা৷ বাহিযং বা বি রোগি ত্তি তেণং চোর ত্তি নো বাএ৷
তার মতে কোনো ব্যাক্তির অবস্থা নিয়ে মন্তব্য করা উচিত নয়৷ কোনো ব্যাক্তি রুগী হলে কখনও তাকে রুগী বল উচিত নয়৷ কেউ যদি কানা হয় তাকে কানা বলে সম্ভোদিত করার প্রয়োজন নেই৷ কেউ নপুংশক হলে তাকে নপুংশক বলার উচিত নয়৷ কেউ যদি চোর হয় তবেও তাকে চোর বলা উচিত নয় যদিও সে খারাপ কার্যের সাথে যুক্ত৷ এই ধরনের মন্তব্য তাদের মধ্যে দঃখের সৃষ্টি করতে পারে৷
|