মহাবীর তার জীবনেতে ও ধর্মের মধ্যেতে অহিংসাকে প্রবল ভাবে প্রাধান্য দিয়েছেন৷ এই অহিংসা বিষয়ে তার উপদেশ হল-
1. এযং খু নাণিণী সারং জং ন হিংসই কিংচণ৷ অহিংসা সমযং চেব এযাবন্তাং বিযাণিযা৷
তার মতে অনেক মানুষ অত্যন্ত গুণী হতে পারেন তবে অবশ্যই তাকে অন্যান্য প্রানীদের প্রতি অহিংসার চিন্তা ভাবনা রাখা অত্যন্ত প্রয়োজন৷ এই এতটুকু বুদ্ধি বিবেচনা অহিংসার পক্ষে অত্যন্ত গুরূত্বপূর্ন৷ এই মানসিকতাকে অহিংসাকে পালন করবার মতন সবথেকে প্রয়োজনীয় বিজ্ঞান৷
2. সব্বে প্রানা পিযাউযা সুহসাযা দুখ্য পডিকুলা৷ অপ্পিযবাহা পিযজীবিণো জীবিউকামা সব্বেসিং জীবিং পিযং৷
তার মতে এই বিশ্বে সবপ্রানী নিজের জীবনকে সবথেকে বেশী পছন্দ করে থাকে৷ সবার কাছে সবথেকে প্রিয় জিনিস হল সুখ, সে কোনো ভাবে দুঃখকে পছন্দ করেনা৷ তাই সকলের কাছে প্রধান চাহিদার বিষয় হল তার মধ্যে থাকা প্রান আর সেটি তার কাছে সবথেকে প্রিয় জিনিস৷
3. জগনিস্সিএহিং ভুএহি তসনামেহিং থাবরেহিং চ৷ তো তেসিমারভে দংডং মণসা বযসা কাযসা চেব৷
তার মতে এই বিশ্বে অনেক জীব তাদের প্রান নিয়ে বেঁচে আছে৷ তাদেরকে কোনো ভাবে শারীক ভাবে নির্যাতন করা একেবারে উচিত কাজ নয় এবং তাদেরকে মানসিক ভাবেও কোনো প্রকার অত্যাচার করা একেবাড়ে অনুচিত কার্য৷
4. অজইত্থং সব্বও সব্বং দিস্স পাণে পিযাযএ৷ ন হণে পাণিণো পাণে ভযবেরাও উবরএ৷
মহাবীরজী এখানে বলতে চেয়েছেন যে সকল প্রানীর অভ্যন্তর একটি আত্মার মাধ্যমে গঠিত হয়৷ এই প্রান সকলের কাছে একই প্রকার গুরূত্ব রাখে৷ তাই যেকোনো ভয়ঙ্কর পরিস্থিতি হোক না কেন কোনো প্রানীর ক্ষতিকরা একেবার যুক্তি যোগ্য নয়৷
|