মুখ্য পৃষ্ঠা   ধর্ম  জৈন  জৈনধর্ম সম্পর্কে
 
ক্ষমা:
মহাবীরজী তার উপদেশের মধ্যে ক্ষমা বিষয়টিকে খুব ভালো করে গুরূত্ব প্রদান করেছেন৷

1.

স্বামেমি সব্বে জীবে সব্বে জীবা খমাংতু মে৷
মিত্তী মে সব্বভুএসূ বেরং মজইং ন কেণই৷

তার মতে সব জীবের কাছে ক্ষমা চেয়ে নেওয়া একান্ত কর্তব্য৷ তাছাড়া সকল জীবকে ক্ষমা করতে পারাও খুব ভালো গুনের পরিচয়৷ সব সময়ে মনে রাখেতে হবে সকল জীবেরা এক মিত্রতা সুত্রের মাধ্যমে জড়িত৷ এখানে কোনো পার্থক্য বা বৈষম্যকে আনতে দেওয়া অনুচিত কাজ৷

2.

সব্বস্স জীবরাসিস্স ভাবও ধম্মনিহিঅনিঅচিত্তো৷
সব্বে খমাবৈত্তা খমামি সব্বস্স অহযং পি৷

নিজের মনের কাছে সবথেকে আগে সচেতন হতে হবে৷ মনের মধ্যে ধর্ম ভাবনাকে স্থির রাখা একান্ত প্রয়োজন৷ যে সকল প্রানী আছে তাদের সকলের কাছে নিজের সমস্ত অপরাধের জন্য ক্ষমা চেয়ে নেওয়া দরকার৷ তাছাড়াও নিজের মধ্যে অপরে সকল রকম অপরাধ ও ভুল কে ক্ষমা করা অত্যন্ত উচিত কাজ৷

3.

জং জং মণেণ বল্দ্রং জং জং বাযাএ ভাসিযং পাবং৷
জং জং কায়েণ কযং মিচ্চা মি দক্কাডং তস্স৷

সকল ব্যাক্তিরা নানা পাপ কাজ করে থাকে৷ তারা যে সকল অন্যায় কাজ করেছে কিম্বা খারাপ কাজকে নিজের মনের মধ্যে লুকিয়ে রেখেছে সেগুলিকে একেবাড়ে ত্যাগ করা দরকার৷ নিজের সকল কাজ যাত বাস্তবে না ঘটতে পারে সেদিকে বিচার করা উচিত৷
অতিরিক্ত
অহিংসা:
সত্য:
মহাবীর স্বামীর গুরূত্বপূর্ণ উপদেশ
মহাবীরের জীবন ও জৈন্য ধর্মের ভূমিকা
জৈন আচার্য উপদেশ