মুখ্য পৃষ্ঠা   ধর্ম  জৈন  জৈনধর্ম সম্পর্কে
 
অপরিগৃহ:
মহাবীরজী তার উপদেশের মধ্যে অপরিগ্রহ বিষয়টিকে যথেষ্ঠ গুরূত্ব আরোপ করেছেন৷

চিন্তমংতমচিত্তং বা পরিগিঝ কি সামবি৷
অন্নং বা অণুজাণাই এব্রং দুখ্যাণ মুচ্চই৷

সকল মানুষের মধ্যে একটা প্রবনাতা দেখা যায় যেটি হল যেকোনো অবস্থার বস্তুকে সংগ্রহ করা৷ শুধু তাই নয় তার নিকটের ব্যাক্তিদেরকে এই সংগহের বিষয়েটিতে তাদের আগ্রহ বাড়াতে অনেকাংশেই সাহায্য করে৷ এই ধরনের ব্যাক্তিদের সুখের পরিমান কমে যেতে থাকে৷ তাদের দুঃখ সারা জীবনের সঙ্গী হয়ে থাকে৷

2.

সবত্থুবহিণা বুল্দ্র সংরখণপরিগ্গহে৷
অবি অপ্পণো বি দেহম্মি না সযরংতি মমাইযং৷

মানুষের সাধারন বিষয়ের প্রতি মোহ বা লোভ থাকা একেবাড়ে উচিত নয়৷ সমস্ত ছোটো খাটো বস্তুগুলির প্রতি মোহকে কাটিয়ে তোলা দরকার৷ এমন ব্যাক্তিই সবথেকে ভালো যারা ছোটো জিনিসতো নয়ই এমনকি নিজের দেহকে তুচ্ছ ভাবে মনে করে থাকেন৷

3.

ধণাধন্নপেসবগ্গেসু পরিগ্গহ বিবজ্জণং৷
সব্বারংভ পরিচ্চাও নিম্মমত্তং সুদুক্করং৷

সাধারন মানুষকে সকল প্রকার সুখকে ত্যাগ করা উচিত৷ সম্পত্তি ও অর্থকে ত্যাগ করা উচিত৷ তাছাড়া অন্যান্য ভোগের বস্তুগুলিকে ত্যাগ করার দরকার৷

4.

জহা লাহো তহা লোহো লাহা লোহো পবডঢই৷
দোমাসকযং কজ্জাং কোডিএ বি ন নিটিটযং৷

সকলের মধ্যেতে লোভের প্রবনতা দেখা যায়৷ এই লোভ আস্তে আস্তে বাড়তে থাকে যখন লাভ ও অর্থিক আগমনের পরিমান ক্রমশ বাড়তে থাকে৷

এই চাহিদাকে দমন না করতে পাড়লে এর আকর্ষন ক্রমশ বেড়ে যেতে থাকবে৷ শেষে এমন পরিস্থিতি হবে যখন সেখানে পৌঁছানো অসাধ্য হয়ে উঠবে৷
অতিরিক্ত
ব্রক্ষ্মচর্য
আত্মা:
ক্ষমা:
অহিংসা:
সত্য:
মহাবীর স্বামীর গুরূত্বপূর্ণ উপদেশ