1.
মহাবীরজী তার উপদেশের মধ্যে ব্রাম্ভন ও ভিক্ষুকদের বিষয়ে বিশদ ভাবে উল্লেখ করেছেন৷ এই ধরনের মানুষর প্রকৃতি কিধরনের হওয়া উচিত তার ব্যাক্ষাও তিনি দিয়েছেন৷
তসপাণে বিযাণেত্তা সংগহেণ য থাবরে৷ জো ন হিংসই নিবিহেণ তং বযং বূম মাহণং৷
তার মতে ব্রাম্ভনদের বিশেষ কিছু গুন থাকা একান্ত প্রয়োজন৷ তাদের কোনো বস্তুর প্রতি মোহ থাকবেনা৷ তারা কোনো জীবকে হিংসার চোখে দেখবেনা৷ এমনকি এই ধরনের হিংসার চিন্তা ভাবনা কে তাদের মন ও শরীরে থেকেও দূরে সড়িয়ে রাখবে৷ এই ধরনের গুনের অধিকারী হলেই প্রকৃত ব্রাম্ভন হবার যোগ্যতা পাওয়া যায়৷
2.
ন বি মুংডিএণ সমণো ন ওংকারেণ বংভণো৷ ন মুণী রণ্ণাবাসেণং কুসচিরেণ ন তাবসো৷
যারা প্রকৃত ব্রাম্ভন হবেন তাদের শুধু বাহ্যিক নিয়ম কানুন মানলে বা পোষাক পরিচ্ছদ বা মন্ত্র জপ করলেই হবেনা৷ তাদের ব্রাম্ভন হবার প্রধান নিয়ম কানুনগুলি মানা একান্ত দরকার৷ তারা যদি শুধু সংসার পরিত্যাগ করে নির্জনে গিয়ে সাধনা করে তাহলেও তাদের প্রকৃত ভাবে ব্রাম্ভন নাও বলা যেতে পারে৷
3.
সব্বেহিং ভুএহিং দয়া পুকংপী খ্যংতিক্খমে সংজযবংভযারী৷ সাবজ্জজোগং পরিবজ্জযংতো চরেজ্জ ভিক্খু সুসমাহিইন্দিরএ৷
একজন ভিক্ষুকের প্রকৃত কাজ হল দয়া৷ যে ধরনের জীব হোকনা কেন সবার প্রতি দয়া করার হল তাদের প্রকৃত ধর্ম৷ ভিক্ষুকদের স্বভাব এমন ধরনের হওয়া উচিত যাতে তাদের সংযোমের বাঁধন কখনও ভেঙে না যেতে পাড়ে৷
তারা ধরনের পরিস্থিতে মানিয়ে নিয়ে যেকোনো ধরনে কথার সম্মুখীন হতে পাড়বেন৷ সকল পাপকে এড়িয়ে চলার ক্ষমতা তাদের মধ্যে তাদের মধ্যে থাকার দরকার৷ তাছাড়া তারা নিজের শরীরকে সকল প্রকার বাসনার থেকে নিয়ন্ত্রিত রাখতে পাড়বে৷
|